Drinking Water

কলকাতার হাসপাতালে চালু হতে পারে চলমান পানীয় জলের পরিষেবা, পুজোর আগেই নতুন উদ্যোগ পুরসভার

পুজোর আগেই কলকাতার ১০টি প্রধান সরকারি হাসপাতালে চালু হতে পারে ভ্রাম্যমাণ পানীয় জল পরিষেবা।

চলমান পানীয় জল পরিষেবা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১১:২১

শহরবাসীর জলের চাহিদা মেটাতে অভিনব উদ্যোগ নিতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। পুরসভা সূত্রে খবর, প্রাথমিক পর্যায়ে কলকাতার ১০টি প্রধান সরকারি হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ পানীয় জল পরিষেবা চালু করা হবে। এসএসকেএম, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, এনআরএস এবং আরজি করের মতো গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালগুলিতেও এই পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

পরবর্তী সময়ে শহরের বিভিন্ন অফিসপাড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়েও এই চলমান জল পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে পুরসভার। পুরসভার জল সরবরাহ বিভাগের উদ্যোগে তৈরি এই বিশেষ গাড়ি থেকে সাধারণ মানুষ ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ পানীয় জল পাবেন বলে জানা গিয়েছে।

মানুষকে যাতে জলের জন্য দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে না হয়।বাসেই বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে। ওয়াটার কারের চারদিকেই কল বা ট্যাপের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ফলে একই সময়ে চারদিক থেকে একাধিক মানুষ জল সংগ্রহ করতে পারবেন। বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থা থাকলেও অনেক সময় রোগীর পরিজন এবং সাধারণ মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে জল নিতে হয়। সেখানে এই পরিষেবা চালু হলে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে বলে মনে করছে পুরসভা।

গরমের সময় শহরে পানীয় জলের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। হাতের কাছে ঠান্ডা ও বিশুদ্ধ পানীয় জল না পাওয়ায় অনেককেই বাধ্য হয়ে বোতলবন্দি জল কিনতে হয়। পুরসভার এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সেই খরচও কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন শহরবাসীর একাংশ। সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই উদ্যোগ নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া মিলেছে।

তবে নতুন এই পরিষেবার নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ওয়াটার কারে সবসময় কেউ না থাকলে কল বা ট্যাপ খুলে নিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। তাই পরিষেবা চালুর পাশাপাশি গাড়িগুলির নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

পুরসভা সূত্রে খবর, পুজোর আগেই এই পরিষেবা চালু করার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে কলকাতার ১০টি মেডিক্যাল কলেজ ও প্রধান সরকারি হাসপাতালে এই ভ্রাম্যমাণ পানীয় জল পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিকল্পনা সফল হলে পরবর্তীতে শহরের আরও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।


Share