Molestration

গড়ফার আবাসনে চার বছরের শিশুকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ ৫৫ বছরের এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে, পলাতক অভিযুক্ত

গড়ফার একটি আবাসনে চার বছরের শিশুকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে বছর পঞ্চান্নর এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। জল খাওয়ানোর কথা বলে শিশুটিকে ছাদে নিয়ে যাওয়ার পর ঘটনাটি ঘটে বলে পরিবারের অভিযোগ।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬ ০৪:২৫

কলকাতায় ফের শিশুকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য। বুধবার সকালে গড়ফার একটি আবাসনে চার বছরের এক শিশুকে যৌন নিগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় অভিযুক্ত এক প্রতিবেশী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গড়ফা থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশিও চলছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গড়ফার ওই আবাসনেই বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকে চার বছরের শিশুটি। বুধবার কোনও এক সময়ে পাশের ফ্ল্যাটে থাকা কাকার কাছে সে গিয়েছিল। কিন্তু সেই সময় কাকা বাড়িতে ছিলেন না। অভিযোগ, শিশুটিকে একা দেখতে পেয়ে বছর পঞ্চন্নর এক প্রতিবেশী তাকে ডাকেন। জল খাওয়ানোর কথা বলে শিশুটিকে আবাসনের ছাদে নিয়ে যাওয়া হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

পরিবারের দাবি, ছাদে নিয়ে যাওয়ার পর শিশুটির উপর শারীরিক নিগ্রহ করা হয়। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটির কান্নার শব্দ শুনতে পান। সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা দ্রুত ছাদে ছুটে যান। তবে তাঁরা পৌঁছোনোর আগেই অভিযুক্ত ব্যক্তি সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ। ফলে ছাদে গিয়ে তাঁকে আর পাওয়া যায়নি।

এরপরই গড়ফা থানায় গিয়ে শিশুটির পরিবার অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগে প্রায় ৫৫ বছর বয়সি এক প্রতিবেশীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই ওই ব্যক্তি পলাতক। তাঁর সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

ঘটনার পর শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এত অল্প বয়সে এমন ঘটনার প্রভাব শিশুটির মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা পরিবারের। তাই মা-বাবা-সহ পরিবারের সদস্যরা এই মুহূর্তে শিশুটিকে সবসময় নিজেদের নজরে রাখছেন। প্রয়োজন হলে মনোবিদের পরামর্শ নেওয়ার কথাও তাঁরা ভাবছেন।

এদিকে আবাসনের ভিতরেই এমন অভিযোগ সামনে আসায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। বিশেষ করে পরিচিত এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

অন্যদিকে, পুলিশের তদন্তের উপর আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছে শিশুটির পরিবার। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করেছে গড়ফা থানার পুলিশ। অভিযুক্তকে দ্রুত খুঁজে বের করে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।


Share