Sandip Ghosh

আরজি কর কাণ্ডে ফের তুঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ, নতুন করে তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর, জামিন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে সন্দীপ ঘোষ

তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে নোটিশ পাঠিয়ে অবস্থান জানতে চেয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি এম এম সুন্দ্রেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হতে পারে।

সন্দীপ ঘোষ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১২:৪২

আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বহুল আলোচিত ধর্ষণ-খুন এবং প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক দুর্নীতি মামলা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। অন্য দিকে, এই আবহেই আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ জামিনের আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে নোটিশ পাঠিয়ে অবস্থান জানতে চেয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি এম এম সুন্দ্রেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হতে পারে।

২০২৪ সালে আরজি কর মেডিকেল কলেজে এক তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুরো রাজ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। তদন্তে নেমে হাসপাতালের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চলা প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগও সামনে আসে। চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনাকাটায় টেন্ডার দুর্নীতি এবং ঘনিষ্ঠদের নিয়মবহির্ভূত ভাবে আর্থিক বরাত পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করে। পরে ধর্ষণ-খুনের মামলায় জামিন পেলেও আর্থিক দুর্নীতির মামলায় এখনও বিচারাধীন বন্দি হিসেবে সন্দীপ জেলেই রয়েছেন।

অন্য দিকে, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে গতি আনা হবে। চলতি মাসেই অভয়ার বাসভবন সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে তিনি মামলাটি নতুন করে চালুর জন্য কড়া নির্দেশ দেন। এর পরেই অভয়ার পরিবারের তরফে পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ-সহ তিন জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই নির্মল ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের এই কড়া অবস্থানের আবহে সন্দীপ ঘোষের জামিনের আবেদন শীর্ষ আদালতে কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর আইনজীবী মহল ও ওয়াকিবহাল মহলের।


Share