Road Conditions

পুজোর আগেই মেরামতি করতে হবে রাজ্যের সব রাস্তা, মহালয়ার মধ্যে কাজ শেষ করতে ডেডলাইন দিল নবান্ন

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার আগেই শহর ও গ্রামের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা চলাচলের উপযোগী করে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১১:৩৩

দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যের রাস্তাঘাটের হাল ফেরাতে বিশেষ উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়া। তার আগেই রাজ্যের সমস্ত ধরনের রাস্তা চলাচলের উপযোগী করে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। পুজোর মরসুমে বেহাল রাস্তার কারণে সাধারণ মানুষ যাতে কোনও সমস্যায় না পড়েন, সেই লক্ষ্যেই নবান্নের তরফে জেলাগুলিকে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটাই প্রথম দুর্গাপুজো। ফলে উৎসবের আগে প্রশাসনিক পরিষেবা ও পরিকাঠামো ঠিক রাখা সরকারের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হলেও পঞ্চায়েত ও পুরসভা স্তরে এখনও আগের শাসকদল কালীঘাট তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে অধিকাংশ এলাকায়। ৯৫ শতাংশেরও বেশি পঞ্চায়েত ও পুরসভায় তাদের প্রভাব রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারি প্রশাসনের উপরই নবান্নকে বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে।

পুরসভা এলাকায় প্রশাসকদের মাধ্যমে এবং গ্রামীণ এলাকায় জেলাশাসক, বিডিও-সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে পুজোর আগে রাস্তা মেরামতির কাজকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচিতে একসঙ্গে কাজ করবে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর, পূর্ত দফতর এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর। শহরের পুর এলাকার রাস্তা, রাজ্য সড়ক, গ্রামীণ রাস্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের পথ—কোথায় কী ধরনের মেরামতির প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নবান্নের শীর্ষকর্তাদের স্পষ্ট জানিয়েছেন, দুর্গাপুজোর সময়ে রাস্তার সমস্যার কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। মহালয়া থেকেই কার্যত পুজোর আবহ শুরু হয়ে যায়। তাই ১০ অক্টোবরের মধ্যে রাস্তা মেরামতির কাজ শেষ করে রাজ্যজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখাই এখন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।


Share