Mothabari Incident

শ্লীলতাহানি থেকে জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে মোফাক্কেরুলের বিরুদ্ধে, মোথাবাড়িকাণ্ডে অন‍্যতম ‘মূলচক্রী’র কীর্তি প্রকাশ্যে

অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের বাসিন্দা মোফাক্কেরুল, একটি বেসরকারি আইনি-সচেতনা সংস্থার পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করার সময় পেশাগত সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ওই তরুণীকে হেনস্তা করেন।

মোফাক্কেরুল
নিজস্ব সংবাদদাতা, মোথাবাড়ি
  • শেষ আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ০৩:১০

মোথাবাড়িকাণ্ডে মোফাক্কেরুল ইসলামের গ্রেফতারিকে ঘিরে সামনে এসেছে তাঁর অতীতের একাধিক বিতর্ক। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, পুলিশকে মারধর, সরকারি কাজে বাধা এবং জালিয়াতির মতো অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল।

গত ২০১৩ সালে কুমারগঞ্জের এক তরুণী বালুরঘাট থানায় তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের বাসিন্দা মোফাক্কেরুল, একটি বেসরকারি আইনি-সচেতনা সংস্থার পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করার সময় পেশাগত সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ওই তরুণীকে হেনস্তা করেন।

একই বছরের ১০ অক্টোবর দুর্গাপুজোর সময় ‘নো এন্ট্রি’ অমান্য করে ইটাহার থেকে বালুরঘাটে ঢোকার সময় কর্তব্যরত পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা বাধে। অভিযোগ, সেই সময় তিনি পুলিশকর্মীকে মারধর করেন এবং সরকারি কাজে বাধা দেন। পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীনই তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের হয়।

পুলিশকে মারধর ও শ্লীলতাহানির এই দুই মামলায় প্রায় ৫৮ দিন জেল খাটার পর তিনি কলকাতা হাই কোর্ট থেকে জামিন পান।

পরবর্তীতে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এআইএমআইএম-এর টিকিটে ইটাহার কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর বিরুদ্ধে বালুরঘাট, ইটাহার ও রায়গঞ্জ থানায় জালিয়াতি, প্রতারণা, হুমকি, সরকারি কর্মীকে মারধর এবং কাজে বাধা দেওয়ার একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর পাশাপাশি, তৃণমূলের মঞ্চে থাকারও একাধিক ছবি ভাইরাল হয়েছে।

এ ছাড়াও, গত বছর মার্চ মাসে বালুরঘাটগামী চলন্ত ট্রেনে এক তরুণীর অশালীন ভিডিয়ো তোলার ঘটনায়ও তিনি বিতর্কে জড়ান। অভিযোগ, সেই ঘটনায় অভিযুক্তের পক্ষ নিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন তিনি।


Share