RG Kar Case

আরজি কর কাণ্ডে হাই কোর্টের নির্দেশে রিপোর্ট জমা দেবে সিট, সোমবার শুনানির সম্ভাবনা

সোমবার হাই কোর্টে মামলার শুনানির দিনই তদন্তকারী দলের পক্ষ থেকে একটি কম্প্রিহেনসিভ রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ১১:৩৬

আরজি কর কাণ্ড নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে এই মামলার নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট। সোমবার হাই কোর্টে মামলার শুনানির দিনই তদন্তকারী দলের পক্ষ থেকে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

হাই কোর্টের নির্দেশে গঠিত এই বিশেষ তদন্তকারী দলে সিটের তিনজন আধিকারিকের পাশাপাশি রাখা হয়েছে সিবিআইয়ের পূর্বাঞ্চলের জয়েন্ট ডিরেক্টরকেও। তদন্তকারীরা ঘটনার দিন ৯ আগস্ট দেহ উদ্ধার থেকে শুরু করে তার পরবর্তী সমস্ত প্রক্রিয়া তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার প্রতিটি দিক খুঁটিয়ে দেখে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আদালতের সামনে তুলে ধরতেই এই নতুন তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সিটের সদস্যরা কাজ শুরু করেছেন। সোমবার আদালতে তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এক তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় রাজ্যজুড়ে। এই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। তবে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলে ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে নির্যাতিতার পরিবার।

এই মামলার শুনানি থেকে ইতিমধ্যেই সরে দাঁড়িয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের তিনটি বেঞ্চ। প্রথমে গত ১২ মে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা ও বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মামলা থেকে সরে দাঁড়ায়। পরে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চ জানায়, নির্যাতিতার পরিবারের ঘটনাস্থল পরিদর্শন-সহ সমস্ত আবেদন নতুন ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে। বর্তমানে মামলাটি বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চে রয়েছে।

এ দিকে, আদালতের কড়া নজরদারিতে নতুন করে তদন্ত শুরু হওয়ায় নির্যাতিতার পরিবার এবং চিকিৎসক মহলে ফের আশার সঞ্চার হয়েছে। প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করা হয়েছে কিনা, নাকি ঘটনার নেপথ্যে আরও কোনও অজানা তথ্য রয়েছে, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। আগামী শুনানিতে সিবিআই আদালতে কী তথ্য তুলে ধরে, সেদিকেই এখন নজর রাজ্যবাসীর।


Share