ACB Arrest

অবৈধ বালির গাড়ির ট্রাক থেকে তোলাবাজি! দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকের হাতে গ্রেফতার পুলিশ কনস্টেবল, নিয়ে আসা হচ্ছে কলকাতায়

মঙ্গলবার গভীর রাতে ঝাড়গ্রামে অভিযান চালানো হয়। টাকা নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন তাঁরা। জলে হাত ডোবাতেই রং গোলাপি হয়। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

অবৈধ বালির গাড়ি থেকে তোলাবাজির অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম
  • শেষ আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১২:০০

অবৈধ বালির গাড়ি থেকে তোলাবাজির অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঝাড়গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, তিনি অবৈধ বালির গাড়ির থেকে টাকা নিচ্ছিলেন। অভিযানে, আরও তিনজন বালি পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

ধৃত পুলিশ কনস্টেবলের নাম রতন প্রামাণিক। তিনি ঝাড়গ্রাম থানায় কর্মরত ছিলেন। বেশ কিছু দিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে বালি বোঝাই ট্রাক থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ আসছিল। অভিযোগ পাওয়ার পরে রাজ‍্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকেরা ফাঁদ পাতে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঝাড়গ্রামে অভিযান চালানো হয়। টাকা নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন তাঁরা। জলে হাত ডোবাতেই রং গোলাপি হয়। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রের খবর, সরাসরি অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল টাকা নিচ্ছিলেন না। পুলিশ সূত্রের খবর, ট্রাক থেকে টাকা তোলার জন‍্য কয়েক জন দালালকে নিয়োগ করে। তাঁরাই টাকা তুলে কনস্টেবলকে দেয়। তাঁদের জেরা করে পুলিশ জানতে পারে, ওই পুলিশ কনস্টেবলের জন‍্য তাঁরা ইতিমধ্যেই ৫ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা বালির ট্রাক থেকে তুলেছেন। এমনকী, এক দালাদের ফোনে ওই কনস্টেবলের ফোন নম্বর ‘ঝাড়গ্রাম ম‍্যানেজার’ বলে সেভ করা আছে বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। অভিযানে ৫ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ কনস্টেবল রতন ছাড়াও আরও তিন দালালকে দুর্নীতি দমন শাখা গ্রেফতার করেছে। তাঁরা হল, শান্তনু বারিক, রবি বারিক এবং দীপঙ্কর বারিক। তাঁরা সবাই বাঁধগোড়া পঞ্চায়েতের শ‍্যামসুন্দরপুর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃতেরা সবাই অবৈধ বালির পাচারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। ধৃত চার জনকেই কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

বুধবার ধৃতদের আদালতে পেশ করা হবে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের মূল পান্ডার খোঁজ করছে পুলিশ।


Share