Suvendu Adhikari

বরাহনগর-ব্যারাকপুর মেট্রোয় বড় সুখবর! পিঙ্ক লাইনের জন্য মিলল কলকাতা পুরসভার এনওসি

পাশাপাশি বি টি রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত সড়কে যানজটও উল্লেখযোগ্য ভাবে কমবে। যাত্রীরা আরও নিরাপদ, আধুনিক ও উন্নত গণপরিবহণ পরিষেবা পাবেন।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১২:১৯

উত্তর শহরতলি ও কলকাতার যাত্রীদের জন্য এল বড় সুখবর। দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা বরানগর-ব্যারাকপুর মেট্রো করিডর বা পিঙ্ক লাইনের বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হল। বি টি রোড ধরে মেট্রো রুট নির্মাণের জন্য কলকাতা পুরসভা প্রয়োজনীয় নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) দিয়েছে।

পুরসভার এই সিদ্ধান্তকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বাগত জানিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, 'বি টি রোড ধরে বরানগর-ব্যারাকপুর মেট্রো করিডরের (পিঙ্ক লাইন) জন্য কলকাতা পুরসভা এনওসি দেওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই পদক্ষেপের ফলে উত্তর শহরতলিতে দ্রুত গণপরিবহন ব্যবস্থার সম্প্রসারণে এক বিরাট দিগন্ত উন্মোচিত হল।'

মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াতের সময় অনেকটাই কমবে। পাশাপাশি বি টি রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত সড়কে যানজটও উল্লেখযোগ্য ভাবে কমবে। যাত্রীরা আরও নিরাপদ, আধুনিক ও উন্নত গণপরিবহণ পরিষেবা পাবেন।

১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলাকে প্রশাসনিক সংকল্প ও একাগ্রতার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, মেট্রো প্রকল্পের মাধ্যমে গণপরিবহণ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের পাশাপাশি নাগরিক পরিষেবা এবং নিরাপত্তার বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে পানীয় জল সরবরাহে যাতে কোনও বিঘ্ন না ঘটে, তার জন্য পৃথক একটি নতুন ট্রানজিশন পাইপলাইন তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে কলকাতার পানীয় জল পরিষেবা স্বাভাবিক রেখেই মেট্রোর পরিকাঠামোগত কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। পুরো উদ্যোগটিকে সমন্বিত পরিকল্পনা এবং টেকসই উন্নয়নের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

নিজের সমাজমাধ্যমে বার্তায় শুভেন্দু আরও জানান, কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপির সরকার থাকায় পুরসভা, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে উঠেছে। তাঁর দাবি, এই সমন্বয়ের ফলেই জনস্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি কোনও বাধা ছাড়াই দ্রুত বাস্তবায়িত হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রীর মতে, জটিল ইঞ্জিনিয়ারিং সমস্যার সমাধান এবং আধুনিক নগর পরিকল্পনাকে বাস্তব রূপ দিতে সমন্বিত ও দায়িত্বশীল প্রশাসনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


Share