Arrest

বারুইপুরের বিজেপি কর্মীকে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ‘সাসপেন্ড’ হওয়া দলীয় নেতা, ধৃত আরও তিনজন, পেশ করা হবে আদালতে

মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত চার জনকে বারুইপুর আদালতে হাজির করানো হবে। কী কারণে বাপিকে খুন করা হল তা জানতে ধৃতদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, বারুইপুর
  • শেষ আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১১:৩৪

বারুইপুরে বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিককে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছে। মঙ্গলবার ধৃতদের আদালতে হাজির করানো হবে।

ধৃত চার জনের মধ্যে সাসপেন্ড হওয়া বিজেপি নেতা সুজন মন্ডল রয়েছে। তিনি ওই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য বলে জানা গিয়েছে। তিনি ছাড়াও আরও তিন জন খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন। এক জন মহিলা রয়েছে। ঘটনার পরে পরিবারের তরফে বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। খুন, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে।

পুলিশ সূত্রের খবর, ঘটনার পর থেকেই সুজনের ফোন বন্ধ আসছিল। সোমবার রাতে বারুইপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত চার জনকে বারুইপুর আদালতে হাজির করানো হবে। কী কারণে বাপিকে খুন করা হল তা জানতে ধৃতদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, রবিবার রাতে বারুইপুরের ট‍্যাঙ্গারবেড়িয়া এলাকায় স্থানীয় পুজো কমিটির দখল কার হাতে যাবে তা নিয়ে দু’পক্ষের মধ‍্যে বচসা শুরু হয়। তার পরে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এরই মধ্যে অপর গোষ্ঠীর কেউ তাঁর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়। পরপর কোপ মারে। বাপির সঙ্গে থাকা বেশ কয়েক জন জখম হন। সবাইকেই বারুইপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বাপিকে বাঁচানো যায়নি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা বাপিকে মৃত বলে ঘোষণা করে। হাসপাতালের পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

পরিবারের বক্তব্য, বাপি দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তৃণমূল জমানায় বিজেপি করার জন্য প্রায় এক দশক বাড়ি ছাড়া হয়েছিল। এলাকায় বাপির নামডাক ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতা সুজন মন্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে মৃতের পরিবার। অভিযোগ, সুজনের তৃণমূলের সঙ্গে পরিকল্পনা করে বাপির ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানায় তাঁরা।


Share