CJP Protest

দীপকের মুক্তির দাবিতে সরব ককরোচ পার্টি, দিল্লিতে অশান্তির আশঙ্কায় আটক সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী ও এম এ বেবি

SIR ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে CJP-র বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা। অভিজিৎ দীপক, সুজন চক্রবর্তী-সহ একাধিক রাজনৈতিক নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

আটক সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৫৯

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তপ্ত দেশের রাজধানী। ককরোচ পার্টি (CJP)-র ডাকা এই কর্মসূচি রুখতে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। ইতিমধ্যেই দলের নেতা অভিজিৎ দীপকে-সহ একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। দীপকের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছে ককরোচ পার্টি। তবে নেতৃত্বকে আটক করেও আন্দোলন থামানো যাবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে দল।

যন্তর মন্তর অভিযানের আগে দিল্লি পুলিশ আটক করেছে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি এবং দলের প্রবীণ নেতাদের। আটক নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বৃন্দা কারাত, এম ভি গোবিন্দন, পিকে শ্রীমতী এবং পি রাজীব। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও আটক হয়েছেন। যন্তর মন্তরে অশান্তির আশঙ্কায় সমাজমাধ‍্যমে তিনি জানিয়েছেন, তাঁদের বুরারি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে প্রায় ৫০ জন রয়েছেন বলে দাবি তাঁর। দিল্লিতে সিপিএমের এ কে গোপালন ভবনের বাইরেও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বিক্ষোভের আশঙ্কায় দিল্লি, সেন্ট্রাল দিল্লি এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েনের করা হয়েছে। যন্তর মন্তর, জনপথ, নির্বাচন কমিশন এবং দিল্লি পুলিশ সদর দফতরের আশপাশের এলাকাকে বিশেষভাবে সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রায় ৬,৫০০ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

অনুমতি ছাড়া জমায়েত আটকাতে ১২টি আটক কেন্দ্র তৈরির খবরও সামনে এসেছে। পাশাপাশি, ৯ অক্টোবর রাত ১০টা থেকে ১০ অক্টোবর রাত ১০টা পর্যন্ত জনপথ-কর্তব্যপথ সংযোগস্থলের প্রায় চার কিলোমিটারে ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ বন্ধ এবং ট্রেন বাতিলের খবরও রয়েছে।

CJP-র আন্দোলন নিয়ে বার্তা দিয়েছেন রাহুল গাঁধী। তাঁর দাবি, জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে এবং সরকারেরও পতন ঘটবে। তাঁর মতে, এ ভাবেই গণতন্ত্রের মেরামত শুরু হবে। অন্য দিকে, অভিজিৎ দীপকে-সহ নেতাদের আটক করার পরেও দেশজুড়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করেছে ককরোচ পার্টি।


Share