CJP Protest

ভোট চুরির’ অভিযোগে দিল্লিতে ধর্নায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আটক রাজ‍্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী-সহ একাধিক শীর্ষ নেতা

বেআইনি জমায়েতের অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আটক করার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:৩৩

সিজেপি আন্দোলন ঘিরে উত্তপ্ত রাজধানী দিল্লি। সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তায় কার্যত দুর্গের চেহারা নিয়েছে রাজধানীর একাধিক এলাকা। এরই মধ্যে ভোট চুরির অভিযোগে দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে ধর্নায় বসে আটক হলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে আটক করা হয়েছে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাকেত গোখেল-সহ দলের একাধিক নেতাকে। বেআইনি জমায়েতের অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আটক করার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

আটক হওয়ার পরেও প্রতিবাদ থামাননি মমতা। প্রিজন ভ্যানে যাওয়ার পথে সমাজমাধ্যমে ফেসবুক লাইভ করেন তিনি। সেখান থেকে ফের একবার কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়ান তৃণমূল নেত্রী। প্রতিবাদের মধ্যেই দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে গান গাইতেও দেখা যায় তাঁকে।

অন্য দিকে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ পার্টি। যদিও এই কর্মসূচির জন্য দিল্লি পুলিশের তরফে অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে খবর। তা সত্ত্বেও যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তাঁরা। মধ্য দিল্লির একাধিক এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আগেই সতর্ক করেছিল পুলিশ। এরই মধ্যে শনিবার সকাল থেকে শুরু হয় ধড়পাকড়।

এরপর ভোটচুরির অভিযোগে সাউথ অ্যাভিনিউতে নিজের বাড়ির সামনেই ধরনায় বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, ডেরেক ও’ব্রায়েন, শামিরুল ইসলাম এবং সাকেত গোখেল। কিছু ক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছোন দিল্লি পুলিশের আধিকারিকরা। ধরনা তুলে নেওয়ার কথা বলা হলেও তাতে রাজি হননি মমতা। এরপরই তাঁকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। একইভাবে আটক করা হয় তাঁর সঙ্গে থাকা দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, ডেরেক ও’ব্রায়েন, শামিরুল ইসলাম এবং সাকেত গোখেলকেও। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।


Share