Suvendu Adhikari

ষষ্ঠীর আগেই ২০ শতাংশ ডিএ-সহ মিলবে অগ্রিম বেতন, মহালয়ায় সরকারি কর্মীদের সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

মহালয়ার দিন বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। ষষ্ঠীর মধ্যেই ২০ শতাংশ ডিএ-সহ অক্টোবরের অগ্রিম বেতন পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। পাশাপাশি পুলিশকে ৪৫০টি গাড়ি, ৪৫০টি মোটরবাইক ও ১১২ নম্বরের পরিষেবা চালু করলেন তিনি।

রাজ‍্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:৫৯

মহালয়ার দিন রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। পুজোর আনন্দের মধ্যেই সরকারি কর্মীদের হাতে অক্টোবরের অগ্রিম বেতন পৌঁছে দেওয়ার কথা জানালেন তিনি। শনিবার ব্রিগেডে রাজ্য পুলিশের একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ষষ্ঠীর মধ্যেই ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ-সহ অক্টোবরের অগ্রিম বেতন পেয়ে যাবেন কর্মীরা। একই অনুষ্ঠানে রাজ্যের জরুরি পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করতে ১১২ নম্বরও চালু করেন তিনি।

এ দিন ইমার্জেন্সি রেসপন্স সাপোর্ট সিস্টেমের অধীনে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের হাতে ৪৫০টি গাড়ি এবং ৪৫০টি মোটরবাইক তুলে দেন শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা, প্রত্যেক থানায় একটি করে গাড়ি ও মোটরবাইক থাকবে। আগামী এক বছরের মধ্যে প্রতিটি থানায় চারটি করে গাড়ি ও বাইকের ব্যবস্থা করা হবে। গাড়ি চালানোর জন্য ১,৫০০ জন চালক নিয়োগের কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

পুলিশি ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বলতে গিয়ে আগের তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, আগে সিভিক ভলান্টিয়ার নির্ভর পুলিশি ব্যবস্থা ছিল। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড গঠনের কৃতিত্বও বিজেপি সরকারের বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি ওবিসি সংরক্ষণের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে জানান, সেই ব্যবস্থায় সংশোধন করা হয়েছে।

থানার পরিকাঠামোর বেহাল দশা নিয়েও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। ওয়াটগঞ্জ ও একবালপুর থানার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সেখানকার ভবন, চেয়ার-টেবিল এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার অবস্থা দেখে মনে হয়, সবকিছুই বহু পুরনো। এই পরিস্থিতি বদলানোর আশ্বাস দেন তিনি।

রাজ্য পুলিশের তদন্তের দক্ষতার প্রশংসা করে বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়ি থেকে ২২০ কোটি টাকার নগদ ও গয়না উদ্ধারের প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু। তাঁর প্রশ্ন, এমন তদন্তে ইডি, সিবিআই বা এনআইএ-র প্রয়োজন কেন?

পাশাপাশি নেশাদ্রব্য বিক্রির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, ১৮ বছরের কম বয়সে বিয়ে ও সন্তানধারণ রোধ এবং মহিলাদের নিরাপত্তায় জোর দেন মুখ্যমন্ত্রী। আরজি কর ও বারুইপুরের মতো ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক করেন তিনি। তোলাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দিয়ে দল বা ধর্ম না দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।


Share