Death Due to Electrocution

ইলেকট্রিক গাড়িতে চার্জ দিতে গিয়ে শর্ট সার্কিট, মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল ৭ জনের

প্রাথমিকভাবে ই-ভেহিকল ব্যাটারি বিস্ফোরণ বা শর্ট সার্কিট—দুটিকেই সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে ত্রুটি বা অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি হলে এমন বিস্ফোরণ ঘটতে পারে, যা থেকে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি হয়।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, ইন্দোর
  • শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ১০:৩১

মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহরের ব্রজেশ্বরী অ্যানেক্স এলাকার এক বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড। বুধবার ভোররাতে বাড়িতে আগুন লেগে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল একই পরিবারের সাত জনের। অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত আরও তিন। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, বাড়ির সামনে রাখা ইলেকট্রিক ভেহিকলের চার্জিং-এর সময়ে ব্যাটারিতে বিস্ফোরণ বা শর্ট সার্কিটের কারণে দুর্ঘটনা।

সূত্রের খবর, বাড়ির সামনেই একটি ইলেকট্রিক গাড়ি রাখা ছিল। তাতে চার্জ দেওয়া হচ্ছিল। শর্ট সার্কিটের জেরে অথবা ব্যাটারি ফেটে গাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। ক্রমেই আগুন সারা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির সামনের দিক অর্থাৎ প্রবেশ পথে প্রথম আগুন লেগে যায়। আগুন এতটাই দ্রুত ছড়ায় যে পরিবারের সদস্যরা বেরিয়ে আসার সুযোগই পাননি এবং ঘরের ভিতরেই আটকে পড়েন। সেখানেই পুড়ে মৃত্যু হয় সাত জনের। গুরুতর ভাবে ঝলসে জখম হয়েছেন আরও তিন জন। তাঁরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

ভোর সাড়ে তিনটে থেকে সাড়ে চারটের মধ্যে ঘটেছে এই দুর্ঘটনাটি। আগুন লাগার খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছয় দমকল বাহিনী এবং পুলিশ। পৌঁছন এসিপি কুন্দন মান্ডলোই। দমকল ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে গোটা বাড়ি ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ কমিশনার-সহ প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর জখম তিনজনকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। উদ্ধার হয়েছে দগ্ধ সাত জনের মৃতদেহও। যাঁদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। দেহগুলি এতটাই ঝলসে গিয়েছে যে তা এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

প্রাথমিকভাবে ই-ভেহিকল ব্যাটারি বিস্ফোরণ বা শর্ট সার্কিট—দুটিকেই সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে ত্রুটি বা অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি হলে এমন বিস্ফোরণ ঘটতে পারে, যা থেকে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি হয়। তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আগুন লাগার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Share