Animal Smuggling

গাড়িতে অমানবিক পশু নির্যাতন! মৃত বাছুর-সহ তাহেরপুরে গ্রেফতার দু’জন, উদ্ধার ১১টি পশু

পুলিশের দাবি, বাছুরগুলিকে গাড়ির ভিতরে অত্যন্ত অমানবিকভাবে গাদাগাদি করে বেঁধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে তাহেরপুর থানার পুলিশ।

পশু পাচারের চেষ্টায় গ্রেফতার দু'জন
নিজস্ব সংবাদদাতা, নদিয়া
  • শেষ আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬ ০৬:১৮

নদিয়ার রানাঘাট পুলিশ জেলার অন্তর্গত তাহেরপুর থানা এলাকায় গবাদি পশু পাচারের চেষ্টা নস্যাৎ করল পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে বাছুরবোঝাই একটি টাটা ৪০৭ গাড়ি আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গাড়িটি থেকে একটি মৃত বাছুর-সহ মোট ১১টি বাছুর উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় গাড়ির চালক ও খালাসিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাহেরপুর থানা এলাকায় দিয়ে বাছুরবোঝাই একটি গাড়ি কৃষ্ণনগরের দিকে যাচ্ছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছোয়। রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে। একটি টাটা ৪০৭ গাড়িটিকে আটক করা হয়।

ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন গাড়ির চালক আনিসুর দাফাদার। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায়। অপর ধৃত মান্নান আলি গাড়ির খালাসি ছিলেন। তিনি উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার বাসিন্দা।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা দাবি করেন, গবাদি পশুর হাটে বিক্রির উদ্দেশ্যেই বাছুরগুলিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে গাড়িতে তল্লাশি চালাতেই সামনে আসে বাছুরগুলিকে অত্যন্ত অমানবিক ও নিষ্ঠুর ভাবে পরিবহণ করা হচ্ছিল। গাড়ির ভিতরে গাদাগাদি করে বিভিন্ন রঙের মোট ১১টি বাছুরকে বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের দাবি, ওই অবস্থায় শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশে একটি বাছুরের মৃত্যু হয়। এরপর মৃত বাছুর-সহ বাকি ১০টি বাছুরকে উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি পাচারের কাজে ব্যবহৃত টাটা ৪০৭ গাড়িটিও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।

ঘটনায় ধৃত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। গবাদি পশুগুলিকে কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।


Share