Demolition

তৃণমূল জমানায় কার্যকর হয়নি হাই কোর্টের নির্দেশ, হাসনাবাদে তৃণমূল কর্মীর জবরদখল হটাল প্রশাসন

রাজ‍্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পরেই তা কার্যকর করল প্রশাসন। যদিও তৃণমূল কর্মী সাদ্দাম হোসেন ঘরামির দাবি, তিনি ওই জমি লিজ নিয়ে দোকান তৈরি করেছিলেন।

উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদে নামল বুলডোজার
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ১০:৩১

তিলজলা, গড়িয়ার পরে এ বার উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদে নামল বুলডোজার। শনিবার সেখানে একটি দোকান ভাঙে দেওয়া হয়েছে। চার বছর পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ কর্যকর করা হয়েছে।

তৃণমূল জমানায় চিংড়িঘাটার মতো হাসনাবাদেও কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি। উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের তালপুকুরে ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, গিয়াসউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির জমিতে দোকান তৈরি করেছিলেন সাদ্দাম হোসেন ঘরামি। সাদ্দাম স্থানীয় তৃণমূল কর্মী। তৃণমূল জমানায় গিয়াসউদ্দিনের জমি দখল করে সেখানে দোকান তৈরি করে ওই তৃণমূলকর্মী।

১১ কাঠা জমির ওপরে বেআইনি দখল সরাতে গিয়াসউদ্দিন কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেন। গত ২০২২ সালে হাই কোর্ট তা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল। চার মাসের মধ্যে তা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়। চার মাস তো দূরের কথা, চার বছর পর পালাবদল হতেই বেআইনি নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ কার্যকর হল। রাজ‍্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পরেই তা কার্যকর করল প্রশাসন। যদিও তৃণমূল কর্মী সাদ্দাম হোসেন ঘরামির দাবি, তিনি ওই জমি লিজ নিয়ে দোকান তৈরি করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, তিলজলার বেআইনি কারখানা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একবালপুর, মোমিনপুর মেটিয়াবুরুজে যত বেআইনি বাড়ি রয়েছে তা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেই কলকাতা পুরসভা এবং কেএমডিএ যৌথভাবে তা ভাঙতে বুলডোজার নিয়ে নেমে পড়ে। গতকাল রাস্তার ওপরে থাকা গড়িয়ার কমডহরির ক্লক টাওয়ার ভেঙে দেয় পুরসভা।


Share