Doctor Beaten

শালবনির বাড়িতে ঢুকে চিকিৎসককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, থানায় অভিযোগ দায়ের

অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম কাঞ্চন চক্রবর্তী। তিনি কর্ণগড় অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি। তৃণমূল নেতা কাঞ্চন চক্রবর্তীর দাবি, তিনি মারধর করেননি। ওই চিকিৎসক বাড়ি এসে রোগী দেখার কথা অস্বীকার করেছিলেন। তাই তাঁকে তিনি ‘ধমক’ দিয়েছেন।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, খড়্গপুর
  • শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:১১

তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে গুন্ডামির অভিযোগ। এ বার গ্রামীণ চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রান্ত চিকিৎসক শালবনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তৃণমূল নেতার দাবি, তিনি মারধর করেননি। কেবল মাত্র তিনি ধমক দিয়েছেন।

আক্রান্ত চিকিৎসকের নাম নিখিলকুমার ঘোষ। স্থানীয় সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকা এক বৃদ্ধাকে বাড়িতে এসে দেখার জন্য চিকিৎসক নিখিলকুমার ঘোষকে আনতে গিয়েছিলেন। তাঁর চেম্বারে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা। কিন্তু সেই সময়ই ওই চিকিৎসক বাড়ি গিয়ে রোগী দেখতে অস্বীকার করেন। দু’পক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। অভিযোগ, তখনই চেম্বারের মধ্যে চিকিৎসককে বেধড়ক মারধর করেন তৃণমূল নেতা। আক্রান্ত চিকিৎসকের আরও অভিযোগ, মারধর করার পর তাঁকে কার্যত তুলে নিয়ে গিয়ে রোগী দেখতে বাধ্য করা হয়।

অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম কাঞ্চন চক্রবর্তী। তিনি কর্ণগড় অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি। তৃণমূল নেতা কাঞ্চন চক্রবর্তীর দাবি, তিনি মারধর করেননি। ওই চিকিৎসক বাড়ি এসে রোগী দেখার কথা অস্বীকার করেছিলেন। তাই তাঁকে তিনি ‘ধমক’ দিয়েছেন। কাঞ্চন বলেন, “এমন ঔদ্ধত্য কি আদৌ দেখাতে পারেন তিনি?” এমন অভিযোগ সামনে আসার পর থেকে বিড়ম্বনায় পড়েছে শাসকদল।

এই ঘটনায় তৃণমূল এবং প্রশাসনকে  নিশানা করেছেন বিজেপি। মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সহ-সভাপতি শংকর গুছাইত বলেন, “আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি! যেখানে একজন ডাক্তারও সুরক্ষিত নয়। পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

আক্রান্ত চিকিৎসক নিখিলকুমার ঘোষ বলেন, “করোনা কালের পর থেকেই বাড়ি গিয়ে রোগী দেখা বন্ধ করে দিয়েছি। বারবার এই কথা ওই তৃণমূল নেতাকে জানানোর পরেও আমায় মারধর করে রোগীর বাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একই সাথে তিনি জানিয়েছেন, “রোগীর বাড়িতে গিয়ে তিনি দেখেন, অনেক ক্ষণ আগেই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তিনি আতঙ্কিত হয়েছেন। তাঁর দাবি, তিনি ভাদুতলা ছেড়ে আতঙ্কে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।


Share