Supreme Court

আবার সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ‍্যাক মামলার শুনানি, আগের বারে ইডির আবেদনের ভিত্তিতে, এ বার আইনজীবীর অসুস্থতা জন‍্যে

সরকার পক্ষের আইনজীবী সিব্বল অসুস্থতার কারণে ফের পিছিয়ে গেল শুনানি। এর পরেই সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা প্রস্তাব দেন, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হোক। আবেদন শুনে বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রর বেঞ্চ ১৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:৪৫

ফের সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক কাণ্ডে ইডি মামলার শুনানি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই অভিযোগ তুলে ইডি শীর্ষ আদালতের দারস্থ হয়েছিল। সেই মামলায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি সঞ্জীব মেহতার বেঞ্চে শুনানির কথা ছিল। কিন্তু আইনজীবী কপিল সিব্বল অসুস্থ থাকার কারণে মামলার শুনানি সম্ভব হল না। পিছিয়ে গেল শুনানির দিন। পরবর্তী শুনানি কবে হবে, সেই দিনও জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

গত সপ্তাহের মঙ্গলবার অর্থাৎ ৩ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানির কথা ছিল। কিন্তু ওই দিন শুনানি হয়নি। ইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতো মঙ্গলবার ফের মামলাটি শুনানির জন্য ওঠার কথা ছিল। কিন্তু সরকার পক্ষের আইনজীবী সিব্বল অসুস্থতার কারণে ফের পিছিয়ে গেল শুনানি। এর পরেই সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা প্রস্তাব দেন, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হোক। আবেদন শুনে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর বেঞ্চ ১৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।

গত ৮ জানুয়ারি ইডি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে হানা দিয়েছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত হন। তদন্তে বাধা এবং নথি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে ইডি সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে। ইডির বিরুদ্ধে আদালতে যায় রাজ্যও। গত ১৫ জানুয়ারির শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ইডির বিরুদ্ধে মামলাকারী পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে। গত ২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের তরফ থেকে ৩৪ পাতার সেই হলফনামা জমা দেয়। তার পরেই গত সপ্তাহে ইডির তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আবেদন করেন, রাজ্যের দেওয়া হলফনামা খতিয়ে দেখার জন্য সময় দেওয়া হোক। সেই আর্জির প্রেক্ষিতেই পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল গত সপ্তাহের শুনানি।

সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে রাজ্যের তরফে ইডির মামলা খারিজের আবেদন করা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, ইডির কোনোও অধিকার নেই সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা দায়ের করার। যে ভাবে তল্লাশি হয়েছে, সে ভাবে তল্লাশি চালানো যেতে পারে না। কেন আইপ্যাককে কোনও আগাম নোটিস দেওয়া হয়নি, সে প্রশ্নও তোলা হয়েছে রাজ্যের তরফে।

উল্লেখ্য, আইপ্যাক সংক্রান্ত এই মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের তৎকালীন ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতা পুলিশের সদ্য প্রাক্তন সিপি মনোজ ভার্মা-সহ বেশ কয়েকজনকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।


Share