Malda Medical College

মালদহ মেডিকেলে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় সরানো হল সুপার প্রসেনজিৎ বরকে, বিশেষজ্ঞ রিপোর্টের পর বড় পদক্ষেপ স্বাস্থ্য দফতরের

স্বাস্থ্য দফতরের নজরে রয়েছে মালদহ মেডিকেল কলেজের শিশু মৃত্যুর সামগ্রিক পরিস্থিতি। প্রতিটি মৃত্যুর কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলে সূত্রের খবর।

মালদহ মেডিকেল কলেজ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ
  • শেষ আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:৫১

মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য দফতর। অগস্ট মাসে হাসপাতালে ৮৯ শিশুর মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ দলের রিপোর্টের ভিত্তিতে হাসপাতালের সুপার তথা এমএসভিপি প্রসেনজিৎ বরকে সরিয়ে দেওয়া হল।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, শিশুমৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা আলাদা ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কী কারণে ওই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে, চিকিৎসায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং হাসপাতালের পরিকাঠামোগত কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। বিশেষজ্ঞ দলের রিপোর্ট পাওয়ার পরই হাসপাতালের শীর্ষ প্রশাসনিক পদে এই পরিবর্তন বলে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের নজরে রয়েছে মালদহ মেডিকেল কলেজের শিশু মৃত্যুর সামগ্রিক পরিস্থিতি। প্রতিটি মৃত্যুর কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলে সূত্রের খবর।

বিশেষজ্ঞ দলের চেয়ারম্যান চিকিৎসক প্রলয় আচার্য জানিয়েছিলেন, ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঠিক কী কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হল, সাংবাদিক বৈঠকে সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। প্রলয় জানান, শিশুমৃত্যুর ঘটনায় একাধিক কারণ সামনে এসেছে। তার মধ্যে অন্যতম অপুষ্টি। পাশাপাশি জন্মের পর শ্বাসকষ্ট, হৃদ্‌রোগজনিত সমস্যা, জন্ডিস এবং কম ওজন নিয়ে জন্মানোও বেশ কিছু শিশুর মৃত্যুর কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞ দল প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি, রিপোর্ট এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য খতিয়ে দেখছে।

তদন্তে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতির বিষয়টিও উঠে এসেছে। পাশাপাশি পরিকাঠামো ও স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রেও একাধিক ফাঁকফোকর চিহ্নিত করা হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ দলের তরফে জানানো হয়েছে। সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করা হবে। সেই রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। এ দিকে, মেডিকেল কলেজের সুপারকে অপসারণের বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম মুখোপাধ্যায় জানান, স্বাস্থ্য ভবনের রিপোর্ট এসেছে। কিছু রদবদল হয়েছে।


Share