Road Accident

প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল তিন জনের! নয়ানজুলিতে উলটে গেল স্করপিও

প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটে যাওয়ার পথে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ও আউশগ্রাম সীমান্তে ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বাইকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ। মৃত্যু দুই ফটোগ্রাফার ও বাইক আরোহীর। দুর্ঘটনায় জখম আরও পাঁচজন।

নয়ানজুলিতে পড়ে যায় স্করপিও
নিজস্ব সংবাদদাতা, বর্ধমান
  • শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:২৭

প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের পথে দুর্ঘটনা। বাইকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের নয়ানজুলিতে স্করপিও উলটে গিয়ে বিপত্তি। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। মৃতদের মধ্যে দু’জন ফটোগ্রাফার এবং অন্যজন বাইক আরোহী। ঘটনায় জখম হয়েছেন আরও পাঁচজন। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ও আউশগ্রাম সীমান্তে ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে এই দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন কেশবগঞ্জ চটি এলাকার বাসিন্দা শেখ নাওয়াজ। তিনি পেশায় ফটোগ্রাফার ছিলেন। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন মশাগ্রামের আরও এক ফটোগ্রাফার। তবে তাঁর নাম এখনও জানা যায়নি। অন্যদিকে, মৃত বাইক আরোহীর নাম বচ্চন সাউ। ভাতারের ওড়গ্রামের বাসিন্দা বচ্চন কাপড়ের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথেই দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান শহর থেকে একটি স্করপিও গাড়িতে চেপে হবু পাত্রপাত্রী-সহ মোট সাতজন আউশগ্রামের জঙ্গলমহল এলাকায় প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের জন্য যাচ্ছিলেন। অন্যদিকে, গুসকরা থেকে ব্যবসার কাজ সেরে বাইকে বাড়ি ফিরছিলেন বচ্চন সাউ। দুপুর ১২টা নাগাদ ওড়গ্রাম ও ঝর্ণা বাসস্ট্যান্ডের মাঝামাঝি এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই রাস্তা দিয়ে দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় স্করপিওর সামনে আচমকাই একটি ছাগল চলে আসে। সেটিকে পাশ কাটাতে গিয়েই বাইকের সঙ্গে গাড়িটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বলে জানা গিয়েছে। ধাক্কার পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্করপিওটি রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে গিয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, গাড়িটি কয়েকবার উলটে যাওয়ার পর নয়ানজুলিতে পড়ে।

দুর্ঘটনার জেরে গাড়িতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে চারজন গুরুতর জখম হন। আহতদের মধ্যে হবু পাত্রপাত্রীও রয়েছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃতদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


Share