Nadia Flower Valley

রাজ্যের মধ্যেই রয়েছে ছোট্ট এক টুকরো কাশ্মীর, নানান রঙের ফুল দিয়ে সাজানো নদিয়ার ধানতলা এলাকা

স্বাভাবিকভাবেই কলকাতা-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতারা এখানে আসেন ফুল কিনতে। চাষীদের কথায়, এ বছর শীত আরও বাড়লে  ফুলের শোভা ও রঙ আরও বৃদ্ধি পাবে। তবে সরাসরি ফুল বিক্রী না করতে পারায় তেমন অর্থ বা দাম পান না এই চাষিরা।

চাষের জমিতে ফুটেছে নানান রঙের ফুল।
নিজস্ব সংবাদদাতা, ধানতলা
  • শেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০৬:১০

রাজ্যে শীতের মরসুম প্রায় শেষের দিকে। এই বিদায়বেলায় সবটুকু আনন্দ উপভোগ করে নিয়ে চায় বাঙালি। তাই সুজ্জিমামার সৌজন্যে হালকা মিঠে রোদ গায়ে মেখে ছুটির মেজাজে কেউ যাচ্ছেন ভ্রমণে আবার কেউ পিকনিকে যাচ্ছেন। আর এরকমই এক চিত্র ফুটে উঠেছে নদিয়ার ধানতলা। যাকে স্থানীয় বাসিন্দারা নদিয়ার কাশ্মীর বলেও জানেন। 

দূর দূরান্ত থেকে বহু মানুষ এসেছেন এখানকার ফুলের শোভা দেখতে। লাল, নীল, হলুদ, সবুজ, বেগুনি হরেক রকম ফুলের কার্যত মেলা বসে গিয়েছে এই স্থানে। প্রকৃতি যেন তার সবটুকু রঙ ঢেলে দিয়েছে। কেউ এসেছেন প্রকৃতির শোভা দেখতে আবার কেউ এসেছেন ফুল বিক্রি করে কিছু অর্থ উপার্জন করতে। বছরের অন্যান্য সময় অন্য পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই সময় এখানকার বহু মানুষ ফুল বিক্রির কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান। স্থানীয় বাসিন্দারা পরিযায়ী পাখির মতন এই পেশাকে রপ্ত করে ফেলেছেন। 

নদীয়ার ধানতলায় বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে এই চাষের জমি রয়েছে। আর এখানে অধিকাংশ চাষীরা ফুল চাষের সঙ্গে যুক্ত। শীতকালে বিভিন্ন ধরনের ফুল দেখা যায়। পাশাপাশি এই ফুল বিভিন্ন রাজ্য ছাড়াও ভুটান, নেপাল, মুম্বাই, দিল্লি-সহ বিভিন্ন দেশে যায়। এই সমস্ত এলাকায় গাঁদা, রজনীগন্ধা, চন্দ্রমল্লিকা, গোলাপ-সহ বিভিন্ন রকমের ফুল চাষ করা হয়। এখান থেকেই ফুল পাড়ি দেয় দিল্লি, গুজরাত, অসাম, কুচবিহার, শিলিগুড়ি-সহ বিভিন্ন জায়গায়। 

রানাঘাট স্টেশন থেকে কয়েক কিলোমিটার ভিতরেই ধানতলা নোকারী ফুলের বাজার। স্বাভাবিক ভাবেই কলকাতা-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতারা এখানে আসেন ফুল কিনতে। চাষীদের কথায়, এ বছর শীত আরও বাড়লে  ফুলের শোভা ও রঙ আরও বৃদ্ধি পাবে। তবে সরাসরি ফুল বিক্রি না করতে পারায় তেমন অর্থ বা দাম পান না এখানকার ফুল চাষিরা।


Share