Special Intensive Revision

২০০২ তালিকার সঙ্গে মিল নেই, দেশের প্রাক্তন বিদেশ সচিবকে এসআইআর-এর শুনানিতে তলব করল নির্বাচন কমিশন

শ্রীনিবাসন কৃষ্ণন দেশের প্রাক্তন বিদেশ সচিব ছিলেন। ১৯৯৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯৯৫ সালের ১৯৯৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিদেশ সচিবের দায়িত্ব সামলেছেন। ক‍্যামেরুণ, বেনিন, নাইজেরিয়া, জাম্বিয়ায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। দায়িত্ব সামলেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতেরও। কমিশনের বক্তব্য, সাধারণ নাগরিকদের জন্য যা আইন, শ্রীনিবাসন কৃষ্ণননের ক্ষেত্রেও একই আইন প্রযোজ্য হবে।

প্রাক্তন বিদেশ সচিব শ্রীনিবাসন কৃষ্ণন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:০৩

রাজ‍্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের (এসআইআর) কাজে যে গাফিলতি হবে না তা আগেই নিশ্চিত করেছিল নির্বাচন কমিশন। এ বার কমিশন দেশের প্রক্তন বিদেশ সচিবকে শ্রীনিবাসন কৃষ্ণনকে তলব করেছে। আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কমিশন সূত্রের খবর, শ্রীনিবাসন কৃষ্ণন দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর বিধানসভার ১৯৪ নম্বর অংশের বকুলবাগান স্কুলের ভোটার। ২০০২ এর তালিকার ভোটার তালিকায় সঙ্গে বর্তমানের ভোটার তালিকায় নামের মিল নেই। এ ছাড়াও, তিনি যখন এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছেন, তখন অভিভাবকের (লিঙ্ক কলাম) কলাম ফাঁকা ছিল। কমিশনের এক কর্তার কথায়, ২০০২ তালিকার সঙ্গে তাঁর ম‍্যাপিং নেই। সেই কারণে তাঁর নামে নোটিস জারি করা হয়েছে। আগামী ১৯ জানুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটের মধ্যে আসতে বলা হয়েছে।

বর্তমানে তাঁর বয়স ৮৮ বছর। তাই কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে সশরীরে শুনানিকেন্দ্রে হাজির হবেন না। তাঁর বাড়িতেই নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা যাবেন। সেখানেই তাঁর যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখবেন। এর পরে তাঁর ছবি তুলে সেখান থেকেই আপলোড করে দেওয়া হবে।

শ্রীনিবাসন কৃষ্ণন দেশের প্রাক্তন বিদেশ সচিব ছিলেন। ১৯৯৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯৯৫ সালের ১৯৯৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিদেশ সচিবের দায়িত্ব সামলেছেন। ক‍্যামেরুণ, বেনিন, নাইজেরিয়া, জাম্বিয়ায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। দায়িত্ব সামলেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতেরও। কমিশনের বক্তব্য, সাধারণ নাগরিকদের জন্য যা আইন, শ্রীনিবাসন কৃষ্ণননের ক্ষেত্রেও একই আইন প্রযোজ্য হবে। ভোটার তালিকায় যাতে একটাও অবৈধ ভোটার না থাকে এবং একটাও বৈধ ভোটারের নাম যাতে না বাদ যায় তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।


Share