Money Recovered

বালি খাদানের টাকা-সহ গাড়ি আটক বর্ধমানে, উদ্ধার প্রায় সাড়ে ছ’লক্ষ টাকা

১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে অভিযান চালিয়ে গাড়ির সিটের নীচ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৬ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা। টাকার উৎস জানাতে না পারায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, বর্ধমান
  • শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৪৩

বালি খাদান থেকে তোলা বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ-সহ একটি গাড়ি আটক করল বর্ধমান থানার পুলিশ। বুধবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বর্ধমান শহর লাগোয়া ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে একটি উপনগরী এলাকায় অপেক্ষারত সাদা রঙের একটি গাড়ি আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে গাড়ির সিটের নীচ থেকে উদ্ধার হয় মোট ৬ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা উদ্ধার হয়।

গাড়িতে থাকা সৌরভ ঘড়ুই ও চালক বাপন হাঁসদা টাকার উৎস সম্পর্কে কোনও সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় দু’জনকেই পুলিশ গ্রেফতার করে। পাশাপাশি গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা দু’জনেই বাঁকুড়া জেলার ওন্দা এলাকার বাসিন্দা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সৌরভ ঘড়ুই জানান, বেলিয়াতোড়ের বাসিন্দা হৃদয় পালের নির্দেশে তাঁরা কাজ করতেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, পশ্চিম বর্ধমান ও গলসির পারাজ এলাকার বিভিন্ন বালি খাদান থেকে প্রতি সপ্তাহে টাকা সংগ্রহ করাই ছিল তাঁদের কাজ।

এদিকে, আটক করা গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন অনুযায়ী মালিক পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসার বাসিন্দা সুবীর ঘোষ। তবে সুবীরের দাবি, প্রায় ১০ মাস আগে তিনি বেলিয়াতোড়ের বাসিন্দা সঞ্জীব গড়াইয়ের কাছে গাড়িটি বিক্রি করে দেন, যদিও নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। সঞ্জীব গড়াই ফোনে জানান, তিনি গাড়িটি কিনে গত তিন মাস ধরে মাসিক দশ হাজার টাকার বিনিময়ে হৃদয় পালকে ভাড়া দিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, বাপন হাঁসদা ওই গাড়ির নিয়মিত চালক।

ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসা হৃদয় পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি প্রথমে সাংবাদিকের পরিচয় জানতে চান। পরিচয় জানার পরেই তিনি ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার ফোন ও মেসেজ করা হলেও তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

পুরো ঘটনাটি ঘিরে বালি খাদান সংক্রান্ত বেআইনি আর্থিক লেনদেনের যোগসূত্র পুলিশ খতিয়ে দেখছে। সূত্রের খবর, তদন্তের স্বার্থে ধৃতদের জেরা করা হচ্ছে।


Share