Golpark Turmoil

গোলপার্কের অশান্তির ঘটনায় আরও দু'জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ, গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৯

জানা যাচ্ছে, বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর দলবল এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী বাপি হালদারের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বেধেছিল। গোলমালের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়ায় বার বার উঠে এসেছে সোনা পাপ্পুর দলবলের নাম। সোনা পাপ্পুর দলবলই এলাকায় এসে গন্ডগোল পাকাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৫:৫৭

গোলপার্কে অশান্তির ঘটনায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এই ঘটনায় মোট ১৯ জনকে পাকড়াও করা হয়েছে। তবে যে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বেধেছিল, সেই দুই গোষ্ঠীর ‘মাথা’রা কেউই ধরা পড়েননি।

রবিবার রাতের গোলমালের পর থেকে অভিযুক্তদের খোঁজে ধারাবাহিক অভিযান চালাচ্ছে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম রাকেশ বণিক এবং রাজীব দাস ওরফে সোনু। উভয়েই রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার পঞ্চাননতলা রোডের বাসিন্দা। রবিবারের তাণ্ডবের ঘটনার পর সেই রাত থেকেই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। ওই রাতেই ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয় ।

পরে সোমবার রাতের অভিযানে গ্রেফতার করা হয় আরও চার জনকে। মঙ্গলবারও বিকেল পর্যন্ত পুলিশি অভিযানে তিন জন ধরা পড়েন। রাতে গ্রেফতার করা হয় আরও দুই অভিযুক্তকে। গোলপার্কে ওই ঘটনায় তিন দিন অতিক্রান্ত। গত রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ঝামেলার সূত্রপাত হয়। গোলপার্কের কাছে পঞ্চাননতলায় একটি ক্লাবের পিকনিক হচ্ছিল। ওই সময়েই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

জানা যাচ্ছে, বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর দলবল এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী বাপি হালদারের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বেধেছিল। গোলমালের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়ায় বার বার উঠে এসেছে সোনা পাপ্পুর দলবলের নাম। সোনা পাপ্পুর দলবলই এলাকায় এসে গন্ডগোল পাকাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের। যদিও মঙ্গলবার সোনা পাপ্পু ফেসবুক লাইভ করে দাবি করেন, ঘটনার দিন তিনি নিজের বাড়িতেই ছিলেন।


Share