Special Intensive Revision

এসআইআরের শুনানিতে অন্ধ ব্যক্তি! ভ্যান নিয়ে বৃদ্ধ মাকে নিয়ে হাজির প্রতিবন্ধী যুবক

প্রতিবন্ধী যুবককে নাম পানু চৌধুরী। তিনি নদিয়ার বগুলা হাঁসখালির মিলননগর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের বাসিন্দা। তিনি পরিবারের মধ্যে একমাত্র রোজগারে। সম্বল ভ্যান রিক্সা। দু'চোখ অন্ধ অবস্থায় ভ্যান চালিয়ে কোনও রকমে সংসার চালান তিনি।

ভ্যান নিয়ে এসআইআর শুনানিতে হাজির প্রতিবন্ধী যুবক।
নিজস্ব সংবাদদাতা, হাঁসখালি
  • শেষ আপডেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৮:৪০

ইতিমধ্যেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, কোনও প্রতিবন্ধী বা ৮৫ বছরের বেশি বয়সী কাউকে শুনানির জন্য কেন্দ্রে ডাকা যাবে না। বিএলও এবং ইআরওকে যেতে হবে বাড়িতে। এ বার শুনানি কেন্দ্রে বৃদ্ধা মাকে নিয়ে আসতে দেখা গেল। নদিয়ার হাঁসখালির ঘটনা। কমিশনের নির্দেশ উড়িয়ে কেন তাঁকে ডাকা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

প্রতিবন্ধী যুবককে নাম পানু চৌধুরী। তিনি নদিয়ার বগুলা হাঁসখালির মিলননগর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের বাসিন্দা। তিনি পরিবারের মধ্যে একমাত্র রোজগারে। সম্বল ভ্যান রিক্সা। দু'চোখ অন্ধ অবস্থায় ভ্যান চালিয়ে কোনও রকমে সংসার চালান তিনি।

তাঁকে এসআইআর-এর শুনানির ডাকা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভোটার তালিকায় নাম যদি না ওঠে, সেই দুশ্চিন্তায় জর্জরিত এই পরিবার। মঙ্গলবার শুনানির দিন পড়ায় চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ নিয়ে বৃদ্ধা মা সুরধ্বনি চৌধুরী বিডিও অফিসে শুনানিকেন্দ্রে আসেন।

এমনই চিত্র ধরা পড়ার পরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সোমবারই নির্বাচন কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, ৮৫ বছরের উর্ধ্বে, প্রতিবন্ধী বা শারীরিক ভাবে অক্ষম কোনও ব্যক্তিকে শুনানির জন‍্য ডাকা যাবে না। সংশ্লিষ্ট ব‍্যক্তির বাড়িতে যাবেন বুথ স্তরের আধিকারিক এবং ইআরও। সেখানেই শুনানি হবে। যদি এরকম কাউকে ডাকা হয়ে থাকে, অবিলম্বে তাঁকে বা তাঁদেরকে শুনানি কেন্দ্রে আসতে বার্ন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিন্তু তার পরেও একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি দেখা যাওয়ার পরে প্রশ্ন উঠছে। কমিশনের নির্দেশ অমান্য করারও অভিযোগ উঠছে কিছু কিছু বিএলও-দের বিরুদ্ধে।


Share