Gang Rape

ফের গণধর্ষণ, বাল্যবিবাহ রোধ করতে গিয়ে উঠে এল গণধর্ষণের কথা, গ্রেফতার তিন অভিযুক্ত

পুলিশ সূত্রের খবর, সাত মাস আগে ওই নাবালিকা গণধর্ষণের শিকার হয়েছিল। তার মধ্যে সাত মাস পেরিয়ে যায়। তারপর মেয়েটির বাল্যবিবাহ রোধ করতে গেলে উঠে আসে এই অপরাধমূলক কাহিনী।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দেগঙ্গা
  • শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:২৫

বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে গিয়ে উঠে এল গনধর্ষণের মতো ভয়ানক কাহিনী। কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে আসার মতো ঘটনা ঘটল দেগঙ্গায়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবার অভিযোগ দায়ের করে। দেগঙ্গা থানার পুলিশ দূর সম্পর্কের তিন আত্মীয়কে গ্রেফতার করে। ঘটনাটি ঘটেছে দেগঙ্গার নূরনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।

পুলিশ সূত্রের খবর, সাত মাস আগে ওই নাবালিকা গণধর্ষণের শিকার হয়েছিল। তার মধ্যে সাত মাস পেরিয়ে যায়। তারপর মেয়েটির বাল্যবিবাহ রোধ করতে গেলে এই অপরাধমূলক কাহিনী উঠে আসে। বুধবার নির্যাতিতার পরিবার পুলিশের কাছে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিন যুবককে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই নাবালিকার আত্মীয়৷

পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় সাত মাস আগে ওই নাবালিকার এক-আত্মীয়ের জন্মদিনের পার্টি ছিল। সেই পার্টিতে ধৃতদের একজনের স্ত্রী ওই নাবালিকাকে ডেকে নিয়ে যায়। অভিযোগ, সেখানেই তাকে মদ খাইয়ে নেশা করানো হয়। তারপরেই ওই চার যুবক ওই নাবালিকাকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যায়।

নাবালিকার বাবা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। মা অন্য একটি ঘরে ছিলেন। অভিযোগ, নাবালিকাকে পাশের আর একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে চার যুবক মিলে তাকে গণধর্ষণ করে। বুধবার ওই নাবালিকার বিয়ের আসর বসেছিল বাড়িতে। নাবালিকার বিয়ে দেওয়া হচ্ছে খবর পেয়ে দেগঙ্গা থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছোয়। কিন্তু তখনই উঠে আসে এই গণধর্ষণের কথা। তখনই চার যুবকের নামে অভিযোগ দায়ের করতেই পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার ধৃতদের বারাসত আদালতে তোলা হবে। বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বাকি অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’


Share