Makar Sankranti

"পুণ্যের আশায় মুছে যায় ক্লান্তি, মুছে যাক মনের মলিলতা, যত দূর হয়ে যাক সব গ্লানি" মকর সংক্রান্তিতে পুণ্যের আশায় গঙ্গাস্নান পুন্যার্থীদের

ভোরের আলো ফুটতেই জনস্রোত সামাল দিতে প্রশাসন তৎপর হয়ে যান। ফুলিয়াপাড়া ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে বয়রাঘাট পর্যন্ত শান্তিপুর থানার পক্ষ থেকে কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জানা যায়, শান্তিপুর, তাহেরপুর, বাদকুল্লা, বীরনগর, রানাঘাট-সহ একাধিক এলাকা থেকে মানুষ এসে ভিড় জমিয়েছেন ফুলিয়া বয়রা গঙ্গার ঘাটে।

পুণ্যলাভের আশায় পুণ্যার্থীরা ভিড় জমিয়েছেন ফুলিয়ার বয়রা গঙ্গার ঘাটে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, শান্তিপুর
  • শেষ আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:১৪

প্রতি বছরের মতো এ বছরও পুণ্যলাভের জন্য হিন্দু পুণ্যার্থীরা ভিড় জমিয়েছেন ফুলিয়ার বয়রা গঙ্গার ঘাটে। বুধবার ভোরের আলো তখনও ফোটেনি। তার আগেই ফুলিয়া বয়রার গঙ্গার ঘাটে পুণ্যার্থীদের ঢল চোখে পড়ার মত। বুধবার বেলা ১টা ১৯ মিনিটে পূর্ণস্নানের শুভ যোগ। ফাল সকাল থেকেই গঙ্গাতীরে মানুষজন ভিড় জমাতে শুরু করেছেন।

মকর সংক্রান্তির দিন একদিকে পূণ্যলাভের আশায় গঙ্গাসাগরের ভিড় জমান হাজার হাজার পুণ্যার্থী। অন্যদিকে, সেই সুযোগ না পাওয়ায় বহু মানুষ ভাগীরথী কিংবা দামোদর নদীতেই পূর্ণস্নান সারতে হাজির হয়েছেন। সেরকমই এক চিত্র ধরা পড়েছে ফুলিয়ার বয়রার গঙ্গাঘাটে। স্নান করতে আসা পুণ্যার্থীদের কথায়, “সবার কপালে গঙ্গাসাগর জোটে না। গঙ্গাসাগরে যেতে পারিনি, তাই ফুলিয়া বয়ড়ার গঙ্গাতেই স্নান করতে এসেছি।”

ভোরের আলো ফুটতেই জনস্রোত সামাল দিতে তৎপর প্রশাসন। ফুলিয়াপাড়া ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে বয়রাঘাট পর্যন্ত শান্তিপুর থানার পক্ষ থেকে কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জানা গেছে, শান্তিপুর, তাহেরপুর, বাদকুল্লা, বীরনগর, রানাঘাট-সহ একাধিক এলাকা থেকে মানুষ এসে ভিড় জমিয়েছেন ফুলিয়া বয়রা গঙ্গার ঘাটে। 

সেই হাজার হাজার ভক্তদের কথা মাথায় রেখে প্রতি বছরের মত শ্রীশ্রী হরিদাস স্মৃতি কমিটির পক্ষ থেকে প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়েছে। হরিদাস আঙিনায় বসেছে গ্রামীণ মেলা। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন এ বছর প্রায় ১৫ হাজার ভক্তের জন্য প্রসাদের আয়োজন করা হয়েছে। পুণ্যের আশায় ভক্তদের এই সমাগমে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা ফুলিয়া এলাকা।


Share