Human Trafficking

শ‍্যামপুকুরের মহিলা বাংলাদেশেই আছেন, ফিরিয়ে আনতে দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা, আশায় দিন গুনছে পরিবার

পুলিশ সূত্রের খবর, যে ব‍্যক্তি মধুমিতাকে প্রলোভন দেখিয়ে বের করে নিয়ে গিয়েছে, তাঁকে অবশেষে চিহ্নিত করতে পেরেছে পুলিশ। ওই ব‍্যক্তি কলকাতারই বাসিন্দা বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তবে তার পরিচয় নিয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১০ আগস্ট ২০২৬ ০৮:০০

শ‍্যামপুকুর থেকে এক তরুণীকে চাকরির প্রলোভন দিয়ে বাংলাদেশে পাচার করে দেওয়ার হয়েছে। মধুমিতা মিস্ত্রি মন্ডলকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন‍্য উদ্যোগ নিল সরকার। পুলিশ সূত্রের খবর, দুই দেশের দূতাবাসে মধ‍্যে কথা হয়েছে। তা নিয়ে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, যে ব‍্যক্তি মধুমিতাকে প্রলোভন দেখিয়ে বের করে নিয়ে গিয়েছে, তাঁকে অবশেষে চিহ্নিত করতে পেরেছে পুলিশ। ওই ব‍্যক্তি কলকাতারই বাসিন্দা বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তবে তার পরিচয় নিয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ডিজিটাল তথ‍্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখার কাজ চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে এ-ও জানা গিয়েছে, ওই ব‍্যক্তি না ধরা পড়লে কোন রুট ব্যবহার করে মধুমিতাকে বাংলাদেশে পাচার করা হয়েছে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

মধুমিতার ভাইয়ের কাছ থেকে যে ডিজিটাল প্রমাণ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তা বিশ্লেষণ করে তাঁর অবস্থান বাংলাদেশের গোপালগঞ্জেই মিলেছে। তাঁকে সীমান্তের ওপারে পাচার করা হয়েছে বলে কার্যত নিশ্চিত হতে পেরেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে বাংলাদেশের দূতাবাসের সঙ্গে কথা হয়েছে। পুলিশও বাংলাদেশের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় বজা রাখা হচ্ছে বলে লালবাজারের এক কর্তা জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশের দূতাবাস সহযোগিতা করছে। লালবাজার ওই কর্তা এ-ও জানিয়েছেন, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে মধুমিতা মিস্ত্রি মন্ডকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।


Share