RN Ravi

দেশভাগের ভয়াবহ স্মৃতি স্মরণে ১৪ অগস্ট ‘দেশ বিভাজন দিবস’, রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে দিনটি পালনের নির্দেশ রাজ্যপাল আর এন রবির

রবিবার লোক ভবনের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে ওই দিনটি ‘দেশ বিভাজন দিবস’ হিসেবে পালনের আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যপাল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কলেজগুলিতেও এই দিবস পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

রাজ্যপাল আর এন রবি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৪৮

দেশভাগের ভয়াবহ স্মৃতি স্মরণে আগামী ১৪ অগস্ট, শুক্রবার রাজ্যের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দেশ বিভাজন দিবস’ পালনের আহ্বান জানালেন রাজ্যপাল তথা পদাধিকার বলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য আরএন রবি। রবিবার লোক ভবনের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে ওই দিনটি ‘দেশ বিভাজন দিবস’ হিসেবে পালনের আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যপাল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কলেজগুলিতেও এই দিবস পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

লোক ভবনের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশভাগের কারণে অবিভক্ত বাংলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন এবং বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। দেশভাগের গভীর প্রভাব পড়েছিল বাংলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ভারতের ইতিহাসের এই ‘অন্ধকার অধ্যায়’ সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে অবহিত করা প্রয়োজন। দেশভাগের শিকার মানুষদের স্মরণ করার পাশাপাশি, সমাজে বিভাজন তৈরি করতে চায় এমন শক্তিগুলি সম্পর্কেও সচেতন থাকা জরুরি বলে জানানো হয়েছে।

১৯৪৭ সালের ১৪ অগস্ট পাকিস্তান পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। একই সময়ে অবিভক্ত বাংলা ও পঞ্জাব বিভক্ত হয়েছিল। তার পরের দিন, ১৫ অগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে।

আগামী সোমবার, ১০ অগস্ট ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলকাতায় বিশেষ পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। ওই মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও যোগ দেবেন। সূত্রের খবর, প্রায় ১০ হাজার পড়ুয়ার অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। বিকাশ ভবনের তত্ত্বাবধানে পরিকল্পনা করা হলেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে কর্মসূচি বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন কলেজের সঙ্গে বৈঠক করে পড়ুয়াদের এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে উৎসাহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে আকাশবাণীর কাছে পড়ুয়াদের জমায়েত হওয়ার কথা। এরপর দুপুর একটার পর সেখান থেকে মিছিল শুরু হয়ে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের দিকে এগোবে। মিছিলে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক পড়ুয়ার উপস্থিতি থাকার কথা।


Share