Wing Commander Arrested

যৌনতার ফাঁদে ফেলে দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে পাক হ‍্যান্ডলারেরা! গ্রেফতার বায়ুসেনার উইং কমান্ডার

দিল্লি পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, বায়ুসেনার এই উইং কমান্ডারকে যৌনতার ফাঁদে বা হানিট্রাপ করা হয়েছিল। সমাজমাধ‍্যমে ওই বায়ুসেনার কমান্ডারের সঙ্গে এক সন্দেহভাজন মহিলার পরিচয় হয়। সমাজমাধ‍্যমের ওই আইডি পাকিস্তানের বলে বলে জানা গিয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৮ আগস্ট ২০২৬ ০৬:৩৪

দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্যপাচারের অভিযোগে বায়ুসেনার এক উইং কমান্ডারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই বায়ুসেনার আধিকারিকের কাছ থেকে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য পাকিস্তানে বসে থাকা আইএসআই হ‍্যান্ডলারেরা হাতিয়ে নিয়েছে। তার জন‍্য ‘যৌনতার ফাঁদ’ পাতা হয়েছিল। তদন্তের স্বার্থে ধৃতের নাম প্রকাশ না করলেও উইং কমান্ডারের বয়স ৪৪ বছর বলে জানা গিয়েছে।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন দিল্লি পুলিশের সূত্র উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য এবং বাহিনীর গোয়েন্দা (এয়ার ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা এআইইউ) তথ্য জোগাড় করতে একটি বড় চক্র কাজ করছে। সেই চক্রের হদিশ পেতেই ওই ৪৪ বছর বয়সী উইং কমান্ডারের নাম সামনে আসে। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে সিআইএসএফ গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। অফিসিয়াল সিক্রেট অ‍্যাক্টের বিভিন্ন জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি তিহাড় জেলে রয়েছেন। জেল হেফাজতে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

দিল্লি পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, বায়ুসেনার এই উইং কমান্ডারকে যৌনতার ফাঁদে বা হানিট্রাপ করা হয়েছিল। সমাজমাধ‍্যমে ওই বায়ুসেনার কমান্ডারের সঙ্গে এক সন্দেহভাজন মহিলার পরিচয় হয়। জানা গিয়েছে, ওই বায়ুসেনার পরিবারেরও সমস‍্যা রয়েছে। এর পরে ধীরে ধীরে ওই মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এর পরেই প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ‍্য তিনি ওই মহিলাকে দিতে থাকেন। এমনকী, ওই মহিলার কথায় তাঁর এক সহকর্মীর মোবাইলে অ‍্যাপ ইনস্টলও করিয়ে দেন অভিযুক্ত উইং কমান্ডার। তা স্পাইওয়ার বলেই মনে করছে পুলিশ। 

সূত্রের খবর, গত ৩১ মে অভিযুক্ত উইং কমান্ডারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বায়ুসেনার এক মুখপাত্রের কথায়, অভিযুক্তের ওপরে বাহিনীর গোয়েন্দারা অনেক দিন ধরেই নজর রাখছিলেন। তাঁর সঙ্গে ওই মহিলার চ‍্যাট, ভিডিয়ো কল হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে যে আইডির সঙ্গে কথোপকথন হয়েছে তা পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে কী কী তথ্য পাচার হয়েছে তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। বাহিনীতে কর্মরত আধিকারিকদের তথ‍্যও দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। 


Share