Three Dead Body Recovered From A House

স্ত্রী, মেয়েকে বিষ খাইয়ে খুন, এর পরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা ব‍্যারাকপুর আদালতের মুহুরির, তিন জনের মৃতদেহ উদ্ধার করল পুলিশ

বাজারে প্রচুর ঋণ। বাড়ি বিক্রি করতেও রাজি নয় বাবা ও মা। ফলে স্ত্রী ও মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী কেয়ামুদ্দিন। এমনটাই প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।

মহম্মদ কেয়ামুদ্দিনের বাড়ি
নিজস্ব সংবাদদাতা, চাঁপদানি
  • শেষ আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২৫ ১১:২৪

হুগলির চাঁপদানিতে স্বামী, স্ত্রী ও মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু। বিষ খাইয়ে স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যা করে নিজে আত্মঘাতী হন ব‍্যরাকপুর আদালতের মুহুরী। শনিবার সকালে স্থানীয়েরা দেখতে পায়, ঘরের মধ্যে তিন জন মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পুলিশ দেহ উদ্ধার করেছে। দেহগুলিকে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। 

মৃতদের নাম মহম্মদ কেয়ামুদ্দিন (৪০), তাঁর স্ত্রী মমতাজ পারভিন (৩২) ও তাদের মেয়ে আফসা (৮)। তাঁরা চাঁপদানির এ্যাঙ্গাস এলাকার চন্দনপাড়ার বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন কেয়ামুদ্দিন মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। স্থানীয় সূত্রের খবর, কেয়ামুদ্দিন ব্যারাকপুর আদালতে এক মুহুরির কাছে কাজ করতেন। তাঁর বাজারে অনেক টাকা ধারদেনা হওয়ায় বাবাকে জমি বিক্রির কথা বলেছিলেন।

কিন্তু ঘটনাচক্রে কেয়ামুদ্দিনের বাবা মা দু’জনেই বিশেষ ভাবে সক্ষম। তারাও চন্দনপাড়াতেই থাকেন। জমি বিক্রি করলে এই বৃদ্ধ বয়সে তাদের কী হবে সেই কারনে জমি বেচতে চাননি বৃদ্ধ। এ ছাড়া, ২০১৯ সালে নিজের পরিচয় লুকিয়ে আরও একটি বিবাহ করেন। সম্প্রতি সেই কথা জানাজানি হয় বলে জানা গিয়েছে। 

পুলিশ দেহ উদ্ধার করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। যে ঘর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে সেই ঘরের দেওয়ালে নিজের পরিবারেরই সাত জনের নাম লিখে দিয়ে গেছেন কেয়ামুদ্দিন। কেন তাঁদের নাম লিখলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কী ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


Share