BJP Inner Clash

জেলার যুব মোর্চার সভাপতি ঠিক হতেই বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল হুগলিতে! একে অপরের সঙ্গে বচসা, সমাজমাধ্যমে ভিডিয়ো ভাইরাল

সোমবুদ্ধ দত্ত জানান, “যে সময় ছাত্র রাজনীতি করেছি, সেটা এখন অতীত। এখন বিজেপি আমার দল। দল যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালন করব। দলের মধ্যে নতুন কর্মী আনব।"

বচসায় জড়িয়ে পড়লেন বিজেপি নেতারা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি
  • শেষ আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৩৩

বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবার বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে। অতীতে হুগলির এক বিজেপি নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে। এ বার হুগলি জেলারই যুব মোর্চার সভাপতি কে হবে তাই নিয়ে বিরোধ বিজেপির অন্দরে। সমাজমাধ্যমে ঘটনার ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে।

বুধবার পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠকের আগে বিজেপি কর্মীরা নিজেদের মধ্যে বচসায় জরিয়ে পরেন। ভাইরাল ভিডিয়োতে দলীয় কর্মীদের বলতে শোনা যায়, "আমরা কেন মানব? মার খেয়েছি। সব সেটিং হয়ে গেল। এ সব চলবে না।" চিৎকার চেঁচামেচি এমন পর্যায়ে পৌঁছোয় দলীয় নেতৃত্বকে সামাল দিতে নামতে হয়। বৈঠক শুরু হতেও বেশ খানিকটা দেরি হয়।

বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি করা হয়েছে চন্দননগরের সোমবুদ্ধ দত্তকে। তিনি আগে তৃনমূল ছাত্র পরিষদের নেতা ছিলেন। ২০২১ সালে  বিধানসভা নির্বানের আগে তৃনমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। রাজ্য বিজেপি তাঁকে এ বার দলের যুব সংগঠনের দায়িত্ব দিয়েছে। আর তাতেই আপত্তি জানিয়েছেন কর্মীদের।

বিজেপি সূত্রে খবর, চন্দননগরের আর এক নেত্রী নতুন সভাপতির পক্ষ নেওয়ায় তাঁকেও হেনস্থা হতে হয় বলে। জেলার অন্য মন্ডল থেকে আসা কর্মীদের অভিযোগ, তৃনমূল করার সময় বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার করেছে। তাঁদের দাবি, সোমবুদ্ধের নেতৃত্বে দল করতে পারবেন না।

এ প্রসঙ্গে দলের হুগলি জেলা সাধারন সম্পাদক সন্দীপ সাধুখাঁ বলেন, “যদি এরকম কিছু হয়ে থাকে সেটা আমাদের সাংগঠনিক বিষয়। আমাদের জেলা সভাপতি, রাজ্য সভাপতি আছেন, ওঁরা বিষয়টা দেখবেন। বাড়িতে পাঁচটা ভাই থাকলে এক জনকে কিছু বেশি দিলে অন্য ভাইরা বলে কেন কম দিলে। আমাদের এত কর্মী আছে কাউকে কম কাউকে বেশি দিলে এটা হতেই পারে।”

যার উপরে এত অভিযোগ সেই সোমবুদ্ধ দত্ত জানান, “যে সময় ছাত্র রাজনীতি করেছি, সেটা এখন অতীত। এখন বিজেপি আমার দল। দল যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালন করব। দলের মধ্যে নতুন কর্মী আনব।"


Share    

BJP