Special Intensive Revision

ভোট দেন বৈদ‍্যবাটিতে, এনুমারেশন ফর্ম জমা পড়ল ভাঙড়ে, কেঁদে ভাসালেন ‘অসহায়’ ভোটার

চাঁপদানী বিধানসভার অন্তর্গত বৈদ্যবাটি পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার দীপ্তি রায়। তাঁর দাবি, বিএলওর কাছে এনুমারেশন ফর্ম চাইলে জানতে পারেন তার নাম ভাঙড়ে চলে গেছে।

দীপ্তি রায় ও তাঁর স্বামী প্রশান্ত রায়
নিজস্ব সংবাদদাতা, চাঁপদানি
  • শেষ আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ০৩:৪৯

ভোট দেন চাঁপদানি বিধানসভার বৈদ্যবাটিতে অথচ এসআইআরে নাম এসেছে ভাঙড় বিধানসভায়! এমন খবর জানতেই, কান্নায় ভেঙে পড়েন এক ‘অসহায়’ ভোটার। অভিযোগ, ভাঙড়ে কেউ তাঁর নামে এনুমারেশন ফর্ম তুলে জমা দিয়েছে। চাঁপদানী বিধানসভার অন্তর্গত  বৈদ্যবাটি পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার দীপ্তি রায়। তাঁর দাবি, বিএলওর কাছে এনুমারেশন ফর্ম চাইলে জানতে পারেন তার নাম ভাঙড়ে চলে গেছে। যেখানে থাকছেন সেখানে ভোট না দিতে পারার আশঙ্কায় ভয়ে কাঁটা হয়ে রয়েছেন তিনি। 

শুক্রবার দীপ্তি রায় অভিযোগ করেন, এসআইআরের এনুমারেশন ফর্ম তিনি পাননি। বিএলওর কাছে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন ভাঙড় বিধানসভা এলাকার তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। সেখানেই তাঁর এপিক নম্বর দিয়ে এনুমারেশন ফর্ম তুলে কেউ জমা করে দিয়েছে। 

পরিবার সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরে বৈদ্যবাটি পুরসভার ছ'নম্বর ওয়ার্ডে ভাড়া থাকতেন রায় দম্পতি। বর্তমানে তারা ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। এসআইআরের কাজ শুরু হওয়ার পর স্থানীয় বিএলও তাঁদের বাড়িতে ফর্ম দিয়ে আসেন। কিন্তু দীপ্তির ফর্মটি তিনি দেননি। এরপর সুপারভাইজার ইআরও র সঙ্গে কথা বলে বিএলও তাদের জানিয়ে দেন দীপ্তি রায়ের ফর্ম অন্য ঠিকানায় রয়েছে।

দীপ্তি রায়ের স্বামী প্রশান্ত রায় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও খোঁজ নেন। কিন্তু ফল কিছুই হয়নি। ঘটনায় প্রশান্ত রায় জানান, দীর্ঘদিন ধরে হাঁপানির সমস্যায় ভুগছেন তিনি। এত দৌড়ঝাঁপ তিনি আর নিতে পারছেন না। দীপ্তি রায় বলেন, " ২০০২ সালের এসআই এর তালিকা তাদের নাম রয়েছে ভোটার তালিকা ২০২৫ এর তাতেও নাম রয়েছে তাদের।এবং সেটা বর্তমান ঠিকানায়।তাহলে কি করে তার নাম ভাঙড়ে গেল।"


Share