Councilor's resignation

সকালে ইস্তফা বিকেলে প্রত্যাহার তৃণমূল কাউন্সিলরের, ‘মাথা গরম ছিল’ বলে ঘটনা সামাল দেওয়ার চেষ্টা, হুগলিতে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল

তাঁর কথায়, ওয়ার্ডের সাধারণ নাগরিকরা তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। এর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের মান সম্মান জড়িয়ে আছে। তাই কাউন্সিলর যেন পদত্যাগ প্রত্যাহার করেন।

কাউন্সিলর নির্মল চক্রবর্তী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, চুঁচুড়া
  • শেষ আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০২৫ ০১:১৭

সকালের ইস্তফা। আবার বিকেলে নিজেই ইস্তফা প্রত্যাহার করলেন কাউন্সিলর নির্মল চক্রবর্তী। নেতৃত্বের দাবি, মাথা গরম করে এ কাজ করেছেন নির্মল। ঘটনাটি হুগলির-চুঁচুড়া পুরসভার। ফের তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এলো।

একেই হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যানের পদ খালি রয়েছে। এরই মধ্যে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মল চক্রবর্তী দলকে আরও অস্বস্তিতে ফেললেন। শুক্রবার সকালে কাউকে কিছু না জানিয়ে মহকুমা শাসকের কাছে তার ইস্তফা জমা দেন তিনি। দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হতেই দলেই মধ্যেই শুরু হয়ে যায় গুঞ্জন। যদিও কী কারণে ইস্তফা দিচ্ছেন তা উল্লেখও করেননি ওই স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে দলের চাপেই ইস্তফা দিতে বাধ্য হন পুরসভার চেয়ারম্যানের অমিত রায়। 

এরপর নির্মল চক্রবর্তীকে ধরে রাখতে ময়দানে নামেন পুরসভার পুরপারিষদ (স্বাস্থ্য) জয়দেব অধিকারী। নির্মল জয়দেবের ঘনিষ্ঠ বলেই খবর। তিনি নির্মল চক্রবর্তীর কাছে অনুরোধ করেন, তিনি যেন ইস্তফা না দেন। তাঁর কথায়, ওয়ার্ডের সাধারণ নাগরিকরা তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। এর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘মান সম্মান’ জড়িয়ে রয়েছে। তাই কাউন্সিলর যেন পদত্যাগ প্রত্যাহার করে নেন। সেই মতো সন্ধ্যায় পদত্যাগ প্রত্যাহার করে নিলেন কাউন্সিলর নির্মল।

যদিও এ হেন ঘটনায় ভোটের আগে হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভায় তৃণমূলের অন্দরে নানা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে। চেয়ারম্যানের অপসারণের পরে দলেরই এক কাউন্সিলরের এমন কাণ্ডে অস্বস্তি বেড়েছে শাসকদলে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের কথায়, একটা পুরসভা নিয়ে সার্কাস করছে তৃণমূল কংগ্রেস। যে সরকার একটা পুরসভা চালাতে পারে না সে কীভাবে রাজ্য চালাচ্ছে।


Share    

TMC