Special Intensive Revision

‘ঘুষ দিয়ে চাকরি পেয়েছেন!’ মহিলা বিএলও-কে গালিগালাজ! অভিযুক্ত ডানকুনির তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে

অভিযোগ, সেখানকার বিএলও চন্দ্রিমা ঘোষ এসআইআর ফর্ম আনতে গেছিলেন। তারপর সেখানকার স্থানীয় তৃনমূল নেতার ছেলের সঙ্গে বচসায় জরিয়ে পড়েন তিনি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে, তৃনমূল কাউন্সিলের স্বামী।

আক্রান্ত বিএলও চন্দ্রিমা ঘোষ
নিজস্ব সংবাদদাতা, ডানকুনি
  • শেষ আপডেট: ২১ নভেম্বর ২০২৫ ১২:৫৮


‘আপনি ঘুষ দিয়ে চাকরি পেয়েছেন’ বলেই মহিলা বিএলও-কে গালিগালাজ করার অভিযোগ তৃনমুল কাউন্সিলের ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির ডানকুনি পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। ২১৮ নম্বর বুথে। অভিযোগ, সেখানকার বিএলও চন্দ্রিমা ঘোষ এসআইআর ফর্ম আনতে গিয়েছিলেন। তার পরেই তিনি স্থানীয় তৃনমূল নেতার ছেলের সঙ্গে বচসায় জরিয়ে পড়েন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে, তৃনমূল কাউন্সিলের স্বামী।

বুধবার, সকালে ডানকুনি পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ২১৮ নম্বর বুথে এসআইআর ফর্ম ফেরত নিতে গেছিলেন চন্দ্রিমা। অভিযোগ, সেখানে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃনমূল কাউন্সিলের ছোট ছেলের সঙ্গে বচসায় জরিয়ে পড়েন তিনি। চন্দ্রিমার অভিযোগ, জমা নেওয়ার জন্য সীমা মাকালকে ফর্ম তৈরি রাখতে বলা হয়েছিল। সেখানে তার ছেলে দাবি করেন তিনি চারটি ফর্ম পেয়েছেন। তখন তাঁকে ফর্ম ফেরত দিতে বলা হয়। তখন তার ছেলে ফর্ম ফেরত দিতে অস্বীকার করায়, তাঁকে বলে হয় সে যেন বিডিও মারফত দিল্লিতে গিয়ে ফর্ম দিয়ে আসে।

এরপর সীমা মাখালের ছেলে হঠাৎ ভিডিয়ো করতে শুরু করেন। সেই ভিডিওতে বলতে শুরু করেন, বলেন “আমি নাকি তাঁকে ধাক্কা দিয়েছি।” যদিও সীমা মাকালের স্বামী গুইরাম মাকাল এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, “যেহেতু আমি এই এলাকায় বিএলএ-২ দের সুপারভাইজার তাই তিনি এই মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন। বিরোধী দলের লোকজনদের খুশি করতে তিনি মিথ্যা কথা বলছেন। আমার ছেলে ফর্মে আসা ভুল বানান নিয়ে কথা বলতে গিয়েছিল।”

ঘটনায় স্থানীয় বিজেপি নেতা গুঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, “ অত্যন্ত লজ্জার ব্যাপার। বিএলও-দের নির্বাচন কমিশন নিয়োগ করেছেন। কিন্তু তৃনমূল কর্মীরা মনে করছে ওঁরা তাদের কর্মী।“


Share