A Junior Doctor Was Allegedly Been Beaten By Policeman

উলুবেড়িয়ার হাসপাতালে মহিলা জুনিয়র ডাক্তারকে ধর্ষণের হুমকি! বেধড়ক মারধরের অভিযোগ, গ্রেফতার ট্রাফিক হোমগার্ড-সহ দু’জন

রাতেই উলুবেড়িয়া থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আক্রান্ত মহিলা চিকিৎসক। প্রাথমিক তদন্তের পরে অভিযুক্ত হোমগার্ড-সহ দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই বিষয়ে হাওড়া গ্রামীণ পুলিশ জেলার সুপার সুবিমল পাল জানান, “দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।”

হাওড়ার উলুবেড়িয়ার হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকে মারধরের অভিযোগ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া
  • শেষ আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৫ ০২:১৫

হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা জুনিয়র ডাক্তারকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল এক ট্রাফিক হোমগার্ডের বিরুদ্ধে। এমনকি ধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। কালীপুজোর সন্ধ্যায় হাওড়ার উলুবেড়িয়ার শরৎচন্দ্র মেডিকেল কলেজে ঘটনাটি ঘটেছে। মহিলা চিকিৎসকে নিগ্রহের অভিযোগে অভিযুক্ত ট্রাফিক হোমগার্ডকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, শেখ বাবুলাল নামে ট্রাফিকের হোমগার্ড সোমবার সন্ধ্যায় এক আত্মীয়কে নিয়ে হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে গিয়েছিলেন। শেখ বাবুলাল উলুবেড়িয়া ট্র্যাফিক গার্ডে কর্মরত রয়েছেন। বাবুলালের সঙ্গে আরও ১২-১৫ জন হাসপাতালে আসেন। ওই সময় সেই ওয়ার্ডেই কর্মরত ছিলেন আক্রান্ত মহিলা জুনিয়র চিকিৎসক। তিনি শেখ বাবুলালের আত্মীয়ের শারীরিক পরীক্ষা করে হাসপাতালের বিশ্রাম ঘরে গিয়ে বসেন। অভিযোগ, সেই সময় শেখ বাবুলাল ওই মহিলা জুনিয়র চিকিৎসকদের ওপর দলবল নিয়ে চড়াও হয়। 

‘আক্রান্ত’ মহিলা জুনিয়র চিকিৎসকের অভিযোগ, হামলাকারীদের মধ্যে একজন তাঁর হাত মুচকে দেন। এর পরেই তাদের মধ্যে থেকে একজন মহিলা চিকিৎসকের ঘারে সপাটে চড় মারেন। এমনকি ওই দলের মধ্যে থাকা কয়েক জন মহিলা জুনিয়র চিকিৎসককে ‘ধর্ষণ’ করবে বলেও হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। পরে ওয়ার্ডে থাকা নার্স এবং আয়ারা গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।

জানা গিয়েছে, প্রসূতি বিভাগে কর্মরত মহিলা জুনিয়র চিকিৎসক হোমগার্ডের আত্মীয়কে গুরত্ব দিয়ে দেখা হয়নি বলে দাবি করেছে অভিযুক্তেরা। এই থেকেই বচসার সুত্রপাত হয়। যদিও ঠিক কী কারণে রোগীর পরিবারের লোকজনের সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকের বচসা বাধে, তা স্পষ্ট করেনি পুলিশ।

রাতেই উলুবেড়িয়া থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। প্রাথমিক তদন্তের পরে অভিযুক্ত হোমগার্ড-সহ দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই বিষয়ে হাওড়া গ্রামীণ পুলিশ জেলার সুপার সুবিমল পাল জানান, “দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।”


Share