Bangladesh Turmoil

বাংলাদেশে হিন্দুহত‍্যার প্রতিবাদে হাওড়ায় ধুন্ধুমার, ব্রিজ অবরোধ করার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বিজেপি কর্মীদের

মঙ্গলবারের ঘটনার পরে হাওড়া ব্রিজ অবরোধের ডাক দেয় বিজেপি। বুধবার সেই মতো বিজেপির নেতাকর্মীরা হাওড়া ব্রিজের দিকে যাওয়া শুরু করে। তবে ব্রিজ আটকে দেওয়ার আগেই তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে এই আশঙ্কায় পুলিশ আগে থেকেই ব‍্যারিকেড করে রেখেছিলেন।

হাওড়ার ব্রিজে বিজেপির বিক্ষোভ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া
  • শেষ আপডেট: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ০২:২০

বাংলাদেশে হিন্দুহত‍্যার প্রতিবাদে হাওড়ার ব্রিজে ধুন্ধুমার। বুধবার পূর্বঘোষিত ‘হাওড়া ব্রিজ অবরোধ’ কর্মসূচি ছিল বিজেপির। হাওড়া ব্রিজে ওঠার আগেই পুলিশ আটকে দেয়। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। ব‍্যারিকেড ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করলে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় পুলিশের। 

গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ভালুকায় হিন্দু যুবক দীপু দাসকে গণপিটুনি দিয়ে হত‍্যা করে ইসলামিক দুষ্কৃতীরা। এর পরে তাঁকে গাছে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় ইসলামিক দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ-সহ সারা দেশে শুরু হয় বিক্ষোভ এবং প্রতিবাদ কর্মসূচি। মঙ্গলবার সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বেকবাগান চত্বরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়। আটক করা হয় অন্তত ১৯ জন বিক্ষোভকারীদের। তাঁদের ডেপুটি হাই কমিশন অফিসে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা ছিল। পুলিশ তার অনুমতি দেয়নি।

মঙ্গলবারের ঘটনার পরে হাওড়া ব্রিজ অবরোধের ডাক দেয় বিজেপি। বুধবার সেই মতো বিজেপির নেতাকর্মীরা হাওড়া ব্রিজের দিকে যাওয়া শুরু করে। তবে ব্রিজ আটকে দেওয়ার আগেই তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে এই আশঙ্কায় পুলিশ আগে থেকেই ব‍্যারিকেড করে রেখেছিলেন। মিছিল করে হাওড়া ব্রিজে উঠতে গেলে পুলিশ আটকে দেয়। রাস্তায় বসেই স্লোগান করতে দিতে থাকে বিজেপির কর্মীরা। তাঁদের তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয়ে যায়। এর পরেই শুরু হয়ে যায় ধস্তাধস্তি। তার পরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ।

উল্লেখ্য, বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন, আগামী ২৪ ডিসেম্বর রাজ্যের বিভিন্ন সীমান্তে প্রতীকী অবরোধের ডাক দেন। বিরোধী দলনেতার হুঁশিয়ারি, বাংলাদেশে এক কেজি পেঁয়াজ যেতে দেবো না। শুভেন্দুর দাবি, “দীপুচন্দ্র দাস-সহ বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে এবং খুনিদের উপযুক্ত শাস্তি না হলে প্রতিবাদ করতে বার বার আসব। বসতে দেবো না।” আগামী ২৬ ডিসেম্বর আরও লোক নিয়ে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে আসবেন বলে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, “ওরা দীপুকে হত্যা করেছে। এখানে মহম্মদ ইউনূসকে হিন্দুরা পোড়াচ্ছে।”


Share