Special Intensive Revision

দলীয় বিএলএ-দের শুনানির সময় থাকতে দিতে হবে, মগড়ার ব্লক অফিসে উত্তেজনা, শুনানি বন্ধ করে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার

সোমবার সকালেই ওই অফিসে শুরু হয়েছে এসআইআর-এর শুনানি প্রক্রিয়া। আচমকাই সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ চুঁচুড়া-মগড়া ব্লক অফিসে হাজির হন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। এসে দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর দাবি, তৃণমূলের বিএলএ-দের শুনানিতে থাকতে দিতে হবে।

শুনানি বন্ধ করে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার।
নিজস্ব সংবাদদাতা, চুঁচুড়া
  • শেষ আপডেট: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ০২:০৬

তৃণমূলের বিএলএ-দের শুনানি পর্বে থাকতে দিতে হবে। না হলে শুনানি হবে না। এই দাবি তুলে শুনানি বন্ধ হল চুঁচুড়া-মগড়া বিডিও অফিসে। চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়কের দাবি, বিএলএ-দের থাকতে দিতে হবে। থাকার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে শুনানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অফিসের বাইরে লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছে।

সোমবার সকালেই ওই অফিসে শুরু হয়েছে এসআইআর-এর শুনানি প্রক্রিয়া। আচমকাই সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ চুঁচুড়া-মগড়া ব্লক অফিসে হাজির হন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। এসে দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর দাবি, তৃণমূলের বিএলএ-দের শুনানিতে থাকতে দিতে হবে। না হলে শুনানি বন্ধ থাকবে। বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, “আমরা এই ধরনের শুনানি পদ্ধতির বিরুদ্ধে। যাকে তাকে যে কোন অবস্থায় শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। যারা সরকারি কর্মচারী দীর্ঘদিন সরকারি কাজ করেছেন, অবসর নিয়েছেন পেনশন পান তাদেরকেও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।” ব্লক অফিসের বাইরে লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছোছে মগড়া থানার পুলিশ।

প্রথম পর্বের শুনানিতে ৩১ লক্ষ্যের বেশি ভোটারকে ২৭ ডিসেম্বর থেকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, এদের ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ম‍্যাপিং নেই। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক অসিত বলেন, “যাদের ২০০২ এর ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে তাদেরকেও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। এটা অব্যবস্থা উদাহরণ। এতে মানুষের দুর্ভোগের বাড়ছে। অনেক বয়স্ক মানুষ আছে তারা লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রয়েছেন। আমাদের প্রশ্ন, বিএলএ-দের কেন শুনানিতে রাখা হবে না।”

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, শুনানি পর্বে রাজনৈতিক দলের বিএলএ-দের রাখা হবে না। কেন রাখা যাবে না তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শাসকদলের দাবি, এতে স্বচ্ছতা থাকবে না। এই বিষয়ে অসিত মজুমদার বলেন, “স্বচ্ছতা আনতে হলে বিএলএ টুদের রাখতে হবে। একটাও বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া যাবে না। তার জন্য আমাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে নির্দেশ দেবেন, আমরা সেই ভাবেই আমরা লড়বো।” তৃণমূলের বিএলএ’রা কেন থাকবে না তা যদি নির্বাচন কমিশন লিখিত দেয়, তাহলে ফের শুনানির কাজ করতে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার।


Share