Chandannagar Accident

চন্দননগরে হাওয়ায় ভাঙল জগদ্ধাত্রী পুজোর মণ্ডপ, জখম সাত জন, পরিদর্শনে কমিশনার

পুলিশ কমিশনার আরও জানান, “পুজো মন্ডোপের নীচে কেউ আটকে রয়েছে কি না, তা দেখা হয়েছে। কিন্তু সেখানে কেউ আটকে নেই। সবাই এখন সুস্থ আছেন। মেরামতির পরে পুজো মন্ডপ সবার জন্য উন্মুক্ত করতে বলা হয়েছে।”

ভেঙে পড়ে রয়েছে মন্ডপ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দননগর
  • শেষ আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ১২:০০

চন্দননগরের কানাইলালপল্লীর পুজো মন্ডপ হুরমুড়িয়ে ভেঙে পড়ল। ঘটনায় দুই মহিলা-সহ কমপক্ষে সাত জন জখম হয়েছেন। তাদের মধ্যে এক জনের আঘাত গুরুতর। তাঁকে কলকাতার স্থানান্তরিত করা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ এবং দমকল। তবে কী কারনে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা স্পষ্ট করেনি পুলিশ। 

চন্দননগরের কানাইলালপল্লীতে সত্তর ফুটের পুজো মন্ডপ তৈরি হয়েছিল। মন্ডপের সামনেই ফাইবারের জগদ্ধাত্রী তৈরী করা হয়েছিল। খুব বেশি উচ্চতা হওয়ায় হালকা হাওয়াতেই উল্টে পরে মন্ডপ। সেই সময় প্রচুর দর্শনার্থী মন্ডপের সামনে ছিলেন। স্থানীয় সূত্রের খবর, সাত জন আহত হন। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ বাহিনী। আসে দমকল বিভাগের কর্মীরা। 

জখমদের উদ্ধার করে চন্দননগর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন জগদ্ধাত্রী পুজোর এক বিচারক জয়দীপ মুখোপাধ্যায়। ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তারা মন্ডপটিতে বিচারক হিসেবে এসেছিলেন। তাদের বিচারক মন্ডলীর প্রত্যেক সদস্য আহত হয়েছেন।“ 

ঘটনায় আহত হয়েছেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা লক্ষ্মীরানি ঘোষ। তাকেও ভর্তি করা হয়েছে চন্দননগর হাসপাতালে। লক্ষ্মীরানি বলেন, তিনি এলাকারই বাসিন্দা। গতকাল মন্ডপের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় কারণে তিনি ঠাকুর দেখতে আসতে পারেননি। বিকালের দিকে ভিড় কম থাকার সময় তিনি ঠাকুর দেখতে এসেছিলেন। তিনি ঠাকুর দেখে যখন বাইরে বের হন সেই সময় গোটা মন্ডপটি পড়ে যায় তার গায়ের ওপরে।

পরে ঘটনাস্থলে আসেন চন্দননগরের পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার অমিত পি জাভালগি। কমিশনার বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ এবং দমকল বাহিনী পৌঁছে যায়। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়েরা তাতে সাহায্য করেছে।” তিনি আরও জানান, “পুজো মন্ডোপের নীচে কেউ আটকে রয়েছে কি না, তা দেখা হয়েছে। কিন্তু সেখানে কেউ আটকে নেই। সবাই এখন সুস্থ আছেন। মেরামতির পরে পুজো মন্ডপ সবার জন্য উন্মুক্ত করতে বলা হয়েছে।”


Share