Sandeshkhali Case Arrests

সন্দেশখালি দুর্ঘটনা মামলায় চার দিনের মাথায় বড় সাফল্য পুলিশের, গ্রেফতার রুহুল কুদ্দুস ও উত্তম সর্দার

সন্দেশখালি দুর্ঘটনার মামলায় চার দিনের মাথায় রুহুল কুদ্দুস তরফদার ও উত্তম সর্দার গ্রেফতার। শনিবার বসিরহাট আদালতে তোলা হলে পুলিশ ১২ দিনের হেফাজতের আবেদন জানায়।

দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি
নিজস্ব সংবাদদাতা, সন্দেশখালি
  • শেষ আপডেট: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:১৫

সন্দেশখালির দুর্ঘটনার মামলায় চার দিনের মাথায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতরা হলেন রুহুল কুদ্দুস তরফদার ও সুশান্ত সর্দার ওরফে উত্তম সর্দার। শনিবার তাঁদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়। পুলিশ ১২ দিনের হেফাজতের আবেদন জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে সন্দেশখালিতে ইডির উপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছিলেন উত্তম সর্দার। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। এবার ফের পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন তিনি। জানা গিয়েছে, রুহুল কুদ্দুস সরবেড়িয়ায় ভাড়া থাকতেন এবং একটি মোবাইলের দোকানে কাজ করতেন। পুলিশ রাজবাড়ি এলাকা থেকে কুদ্দুসকে এবং পোলেরহাট এলাকা থেকে উত্তমকে গ্রেপ্তার করে।

ইডির উপর হামলার ঘটনার পর উত্তম সর্দারের নাম বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত উত্তম জেলা পরিষদের সদস্য ছিলেন। তাঁকে ছয় বছরের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড করা হয়। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে রেড রোডের ধর্না মঞ্চ থেকে পার্থ ভৌমিক এই সাসপেনশনের কথা ঘোষণা করেছিলেন। দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেদিন বিকেলে গ্রেফতার হয়েছিলেন উত্তম, পরে তিনি জামিন পান।

এদিকে, পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার দিন অর্থাৎ ১০ ডিসেম্বর রুহুল কুদ্দুস ভোলানাথ ঘোষের গাড়ির গতিবিধির উপর নজর রাখছিলেন। কোন পথে গাড়িটি যাচ্ছে, সে সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য দেওয়ার দায়িত্ব ছিল তাঁর উপর। পুলিশের সন্দেহ, উত্তম সর্দারও এই গোটা ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন।

তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ভোলানাথ ঘোষ যে ৯ জনের নামে এফআইআর দায়ের করেছিলেন, তাতে এই দুই অভিযুক্তের নাম ছিল না বলেই পুলিশ সূত্রে খবর।


Share