Murder Allegations Against BDO

বাগজোলা খালের ধারে উদ্ধার স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার, অপহরণ করে খুনের অভিযোগ রাজগঞ্জের বিডিওর বিরুদ্ধে

মৃত স্বর্ণ ব্যবসায়ীর নাম স্বপন কামিলা। তাঁর বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের নীলদা পোস্টঅফিস এলাকার দিলমাটিয়া গ্রামে। তবে থাকতেন দত্তাবাদে। পরিবারের অভিযোগ, ২৮ অক্টোবর দত্তাবাদের ওই সোনার দোকান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় স্বপনকে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৫ নভেম্বর ২০২৫ ১২:৫৯

নিউটাউনের যাত্রাগাছি এলাকা থেকে উদ্ধার স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত দেহ। পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে অপহরণ করে পরে খুন করা হয়েছে। তার পরে দেহ ফেলে দিয়ে চলে গিয়েছে অভিযুক্তেরা। ২৮ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ী। এই ঘটনায় নাম জড়িয়ে রাজগঞ্জের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক প্রশান্ত বর্মণের।

মৃত স্বর্ণ ব‍্যবসায়ীর নাম স্বপন কামিলা। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের নীলদা পোস্ট অফিস এলাকার দিলমাটিয়া গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারের অভিযোগ, গত ২৮ অক্টোবর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হয়। পরে তাঁরা জানতে পারে যাত্রাগাছি এলাকায় বাগজোলা খালের ধারে একটি ঝোপ থেকে দেহ উদ্ধার করে। স্বপনবাবুর ছবি দেখে দেহ শনাক্ত করে পরিবার।

তবে কী কারণে খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, ২৮ অক্টোবর স্বপনের দোকানের সামনে দুটি গাড়ি আসে। একটি রং সাদা এবং অপরটি কালো রঙের গাড়ি ছিল। দুটি গাড়ির মধ্যে একটিতে নীলবাতি লাগানো ছিল। ওই গাড়ি থেকে নেমে এক ব‍্যক্তি নিজেকে প্রশান্ত বর্মন বলে পরিচয় দেয়। প্রশান্ত নিজেকে সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) বলেও পরিচয় দিয়েছেন বলে দাবি। এর পরেই প্রশান্তের সঙ্গে থাকা কয়েক জন স্বপন কামিলা এবং গোবিন্দ বাগকে তুলে নিয়ে যায়।

মৃতের পরিবারে দেওয়া অভিযোগপত্র অনুযায়ী, দিন কয়েক আগে ওই বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। সেই চুরি যাওয়া সোনার অলঙ্কার না কি দত্তাবাদের দেকানে বিক্রি করা হয়েছে। সেই বিষয়টি খোঁজখবর নিতে ওই বিডিও এবং তার দলবল এসেছিল। দোকানের মালিক গোবিন্দ বাগকে তুলে নিয়ে গেলেও তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পরিবারের আরও অভিযোগ, দোকান থেকে সোনার জিনিস এবং সিসি ক্যামেরার ফুটেজও নিয়ে যান বলে দাবি।

যদিও বিডিওর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই বিষয়ে কিছু বলতে চাননি। তিনি এড়িয়ে গিয়েছেন। পুলিশ সূত্রের খবর, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। 


Share