Murder Case

হালিশহরে নেশামুক্তি কেন্দ্রে রোগীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ, ফের নেশামুক্তি কেন্দ্র থেকে কালনার ব‍্যক্তির দেহ উদ্ধার

উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি এক ব্যক্তিকে মারধর করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। কেন্দ্রটির বৈধতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, হালিশহর
  • শেষ আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:৫৬

বারুইপুরের পর এবার হালিশহর। সেখানে এক রোগীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। হালিশহর পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযোগ, নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি এক ব্যক্তিকে মারধর করে খুন করা হয়েছে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, হালিশহর পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাঘের মোড় চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে সম্প্রতি একটি নেশামুক্তি কেন্দ্র চালু করা হয়েছিল। বিশ্বজিৎ দাস নামে এক ব্যক্তি ওই কেন্দ্রটি পরিচালনা করতেন। অভিযোগ, ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি বিশ্বজিৎ মণ্ডল (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর করা হয়। যার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত ব্যক্তি পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনার বাসিন্দা বলে খবর। নেশামুক্তি কেন্দ্রের ভিতর থেকেই ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় হালিশহর থানার পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিকে কেন এবং কীভাবে মারধর করা হল, সেই বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নেশামুক্তি কেন্দ্রটির বৈধতা নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া স্বরুপ হালিশহর পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রবীর সরকার বলেন, “একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে এ ধরনের নেশামুক্তি কেন্দ্র চালানো হচ্ছিল, সে বিষয়ে পুরসভা বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কোনো ধারণা ছিল না। এমনকি বাড়িওয়ালাও বিষয়টি জানতেন না বলে জানতে পেরেছি। প্রশাসন তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেই আমরা আশাবাদী।”

উল্লেখ্য, মাসখানেক আগেই বারুইপুরে একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনাতেও মৃতের পরিবারের তরফে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ তোলা হয়। বর্তমানে সেই ঘটনার তদন্ত চলছে বারুইপুর থানায়। পরপর এই ধরনের ঘটনায় রাজ্যে নেশামুক্তি কেন্দ্রগুলির কার্যকলাপ ও নজরদারি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।


Share