Unnatural Death

চার মাস আগে চিকিৎসকদের চেষ্টায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা কিশোর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী, চন্দননগরের ঘটনা

সোমবার দুপুরে মা মেয়ে দুজনেই দোকানে ছিলেন। স্কুল ছুটি থাকায় সুমনের ছেলে দামোদর(১৩) তার বোন সোহানীকে(১০) নিয়ে বাড়িতে ছিল। দুপুরে খাওয়ার পর মাসির সঙ্গে দু' জনে শুয়ে পরে। ঘুম থেকে উঠে দামোদরকে ঘরে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন মাসি সোনিয়া সাউ।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দননগর
  • শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৪৭

মাস চারেক আগে কিশোরের গলায় কয়েন আটকে গিয়েছিল। চিকিৎসকের চেষ্টায় দামোদর মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেছিল। সোমবার গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করল সেই কিশোর। নাবালকের পরিবার শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চন্দননগর ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁটাপুকুর এলাকায় ভারা বাড়িতে থাকেন মনোজ মুদি। বাড়িতে তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে। মনোজ ধনিয়াখালির একটি রেস্তোরাঁয় রান্নার কাজ করেন।  তার স্ত্রী সুমন সাউ শ্বাশুড়ি পুতুল সাউ চন্দননগর মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে কচুরির দোকান চালান। সোমবার দুপুরে মা-মেয়ে দু’জনেই দোকানে ছিলেন। স্কুল ছুটি থাকায় সুমনের ছেলে দামোদর(১৩) তার বোন সোহানীকে(১০) নিয়ে বাড়িতে ছিল। 

এ দিন দুপুরে খাওয়ার পর মাসির সঙ্গে দু'জনে শুয়ে পরে। ঘুম থেকে উঠে দামোদরকে ঘরে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন মাসি সোনিয়া সাউ। পাশে থাকা একটি পরিত্যক্ত ঘরে তার ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা দামোদরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে চুঁচুড়া থানা পুলিশের পৌঁছোয়। পুলিশ মৃতদেহ চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রের খবর, আগামীকাল দেহের ময়নাতদন্ত হবে। 

মৃত কিশোরের মা বাবা জানান, মাস চারেক আগে একবার দশ টাকার কয়েক গিলে নিয়েছিল। গতকাল রাতে ঘুমাচ্ছিল না ছেলে, মা সেই কথা বাবাকে জানান। মনোজ ছেলেকে বকাবকি করে ঘুমিয়ে পড়তে বলে। সোমবার সকাল থেকে সব স্বাভাবিক ছিল। মা, দিদিমা দোকানে চলে যান। দুপুরের পর মৃত‍্যু সংবাদ পান।


Share