Special Intensive Rivision

এসআইআর ফর্ম জমা দেওয়ার আগেই অনলাইনে ভোটারের নাম, গাজলে মোবাইল নম্বর বদলে তীব্র চাঞ্চল্য

গাজলের পান্ডুয়ায় চাঞ্চল্য। এসআইআর ফর্ম হাতে জমা দেওয়ার আগেই ভোটারের নাম অনলাইনে ‘সাবমিট’। এক ভোটারের ফর্মে অন্যের মোবাইল নম্বর—বিএলও-র গাফিলতির অভিযোগে উত্তেজনা তুঙ্গে। পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, গাজোল
  • শেষ আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২৫ ০৬:৩০

এসআইআর ফর্ম হাতে জমা দেওয়ার আগেই নির্বাচন কমিশনের অনলাইন পোর্টালে ভোটারের নাম ‘সাবমিট’ হয়ে যাওয়ার অভিযোগে উত্তেজনা। এই উত্তেজনা ছড়িয়েছে গাজলের পান্ডুয়া অঞ্চলের বাবুপাড়া এলাকায়। শুধু তাই নয়, সেই অনলাইন ফর্মে যে মোবাইল নম্বরটি দেখা যাচ্ছে সেটি সংশ্লিষ্ট ভোটারের নয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিএলও-র গাফিলতির জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা লক্ষণ মণ্ডল জানান, তিনি এখনও পর্যন্ত এসআইআর ফর্ম ‘বি’ স্থানীয় বিএলও-র হাতে জমা দেননি। তবু তাঁর নাম ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অনলাইন সিস্টেমে আপলোড হয়ে গিয়েছে। আরও অবাক করা বিষয়, সেই ফর্মে যে মোবাইল নম্বরটি রয়েছে, তা তাঁর নয়।

তদন্তে জানা গিয়েছে, নম্বরটি পান্ডুয়া অঞ্চলের চন্দনদিঘি এলাকার বাসিন্দা সরকার সোরেন-এর। তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা নিয়ম মেনে নিজেদের ফর্ম পূরণ করে বিএলও-কে জমা দিয়েছেন এবং সঠিক মোবাইল নম্বরই দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও সেই নম্বর কীভাবে লক্ষণ মণ্ডলের ফর্মে পৌঁছল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। ইতিমধ্যেই সোরেন পরিবারও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

চন্দনদিঘি ২০৮ নম্বর বুথের বিএলও পাপাই মণ্ডল স্বীকার করেছেন যে, এখানে 'ভুল' হয়েছে। তাঁর কথায়, “মোবাইল নম্বর কীভাবে অদলবদল হল, আমিও বুঝতে পারছি না।” তিনি জানান, বিষয়টি ব্লক প্রশাসন, বিডিও ও এআরও সুপারভাইজারদের অবহিত করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পান্ডুয়া অঞ্চলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছেও অভিযোগ পৌঁছে গিয়েছে।


Share