Choas in Malda Hospital

মালদহ সরকারি হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গে মৃতার পরিবারের তুমুল বচসা

পরিবারের অভিযোগ, ভর্তির পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও প্রসব না হওয়ায় চিকিৎসকদের কাছে বারবার সিজারিয়ান অপারেশনের আর্জি জানানো হয়। কিন্তু তাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ পরিবারের। শেষপর্যন্ত গর্ভাবস্থাতেই মৃত্যু হয় সালমার।

মালদহে হাসপাতালে মৃতার বিক্ষোভ
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ
  • শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৪:৩৩

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল চাঁচলে। বুধবার চাঁচোল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন মৃতার পরিবার ও আত্মীয়রা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় চাঁচল থানার পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে প্রসূতির পরিবারের বচসা ও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

মৃতার নাম সালমা সুলতানা (২৭)। বাড়ি রতুয়া ১ ব্লক-এর সামসি গ্রাম পঞ্চায়েতের মালোপাড়া এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি প্রথম সন্তানের জন্ম দিতে চলেছিলেন। তিন দিন আগে প্রসব যন্ত্রণা শুরু হলে তাঁকে চাঁচল মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, ভর্তির পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও প্রসব না হওয়ায় চিকিৎসকদের কাছে বারবার সিজারিয়ান অপারেশনের আর্জি জানানো হয়। কিন্তু তাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ পরিবারের। শেষপর্যন্ত গর্ভাবস্থাতেই মৃত্যু হয় সালমার। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, "আমরা একাধিকবার সিজার করার কথা বলেছি। সময়মতো ব্যবস্থা নিলে আজ আমার মেয়ে বেঁচে থাকত। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চাই। প্রয়োজনে আইনি পথে এগোব।”

ঘটনার জেরে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তার স্বার্থে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। হাসপাতাল সুপার জানিয়েছেন, এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে যথাপযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Share