Special Intensive Rivision

ফর্ম সংগ্রহ শেষ হয়নি, তবুও ডিজিটালাইজেশনের চাপ—শিলিগুড়িতে প্রতিবাদ বিএলওদের

শিলিগুড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের বোঝানো এবং ‘এনুমারেশন ফর্ম’ বিলি-সংগ্রহের কাজ জোরকদমে শুরু করেছেন বিএলওরা। তবে এই অতিরিক্ত চাপ বৃদ্ধির প্রতিবাদে শনিবার শিলিগুড়ি দীনবন্ধু মঞ্চে ট্রেনিং শেষে বিক্ষোভে সামিল হলেন বহু বিএলও।

শিলিগুড়িতে প্রতিবাদ বিএলওদের
নিজস্ব সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি
  • শেষ আপডেট: ১৫ নভেম্বর ২০২৫ ০৭:০৯

বিহারে এসআইআর প্রক্রিয়া চলার পর পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হয়েছে এসআইআর কার্যক্রম। সেই অনুযায়ী শিলিগুড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের বোঝানো এবং ‘এনুমারেশন ফর্ম’ বিলি-সংগ্রহের কাজ জোরকদমে শুরু করেছেন বিএলওরা। তবে এই অতিরিক্ত চাপ বৃদ্ধির প্রতিবাদে শনিবার শিলিগুড়ি দীনবন্ধু মঞ্চে ট্রেনিং শেষে বিক্ষোভে সামিল হলেন বহু বিএলও।

ট্রেনিং শেষে বাইরে এসে বিএলওরা অভিযোগ করেন, স্কুলের দায়িত্বের পাশাপাশি এসআইআর-এর কাজ সামলাতে গিয়ে ক্রমেই চাপ বাড়ছে। তাঁদের অভিযোগ, গতকাল বিকেল চারটের পর হঠাৎ মোবাইলে মেসেজ আসে যে আজ সকাল এগারোটায় ট্রেনিং রয়েছে। যথারীতি তাঁরা এসে ট্রেনিংয়ে বসেছি। কিন্তু আজ বলা হচ্ছে—এতদিন যে ফর্ম ডিস্ট্রিবিউশন ও কালেকশন করেছি, তার ডিজিটালাইজেশনও আমাদেরই করতে হবে, তাও আমাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে।

বিএলওদের আরও দাবি, এসআইআর ফর্ম সংগ্রহের কাজ এখনও শেষ হয়নি। ভোটার সংখ্যা অনেক, আর নির্দিষ্ট সময়সীমা ৪ ডিসেম্বর। ১৫ নভেম্বর পর্যন্তও সংগ্রহ পুরোপুরি সম্পন্ন না হওয়ায় তাঁদের প্রশ্ন—এই অল্প সময়ের মধ্যে ডিজিটালাইজেশন করা কতটা সম্ভব?

অভিযোগ, প্রথম দিকে তাঁদের জানানো হয়েছিল শুধু ফর্ম বিলি ও সংগ্রহ করতে হবে। ডিজিটালাইজেশন তাঁদের দায়িত্ব নয়। তাই ডেটা অপারেটর নিয়োগের দাবি তুলেছেন তাঁরা। 

তাঁদের আরও অভিযোগ, নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে অনেক সময় কাজ করা যায় না। বিএলও অ্যাপটিও বারবার আনইনস্টল করে ইনস্টল করতে হয়, তবুও সঠিকভাবে কাজ করে না। অনেক সময় একটি ফর্মও স্ক্যান করা যায় না।

বিএলওদের দাবি, তাঁরা এসআইআর কর্তৃপক্ষকে স্পষ্ট জানাতে চেয়েছিলেন যে ডিজিটালাইজেশনের দায়িত্ব তাঁদের নয়। কিন্তু ট্রেনিংয়ে তাঁদের কথা কেউ শুনতে চাননি বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।


Share