Typo Halts Admission

নামেই আটকাল ভর্তি! বানান বিভ্রাটে শিলিগুড়ির জ্যোৎস্নাময়ী গার্লস হাই স্কুলে বিপাকে প্রায় ৪০ ছাত্রী, ক্ষোভে অভিভাবকরা

নাম ও অভিভাবকের নামের বানান বিভ্রাটে শিলিগুড়ির জ্যোৎস্নাময়ী গার্লস হাই স্কুলে ক্লাস ফোর থেকে ফাইভে প্রায় ৪০ ছাত্রী ভর্তি বঞ্চিত। প্রতিবাদে অভিভাবকরা, ডিআই অফিসে অভিযোগ, দ্রুত সমাধানের দাবি। স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠেছে জোরালো ভাবে।

জ্যোৎস্নাময়ী গার্লস হাই স্কুল
নিজস্ব সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি
  • শেষ আপডেট: ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:৫৩

নাম বা অভিভাবকের নামের সামান্য বানান ভুলকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়ির জ্যোৎস্নাময়ী গার্লস হাই স্কুলে বড় সমস্যায় পড়েছে প্রায় ৪০ জন ছাত্রী। অভিযোগ, শুধুমাত্র নথিতে বানান বিভ্রাটের কারণ দেখিয়ে ক্লাস ফোর থেকে ফাইভে ওই ছাত্রীদের ভর্তি নিতে অস্বীকার করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

অভিভাবকদের দাবি, এই ছাত্রীরাই দীর্ঘদিন ধরে ওই স্কুলে পড়াশোনা করছে। অথচ হঠাৎ নথিতে এক–দুটি অক্ষরের ভুল দেখিয়ে ভর্তি আটকে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আবেদন জানানো হলেও কোনও সমাধান মেলেনি। উল্টে আগে ভর্তি না নিয়ে বাইরের পড়ুয়াদের ভর্তি নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।

এর জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রীদের মায়েরা স্কুলের সামনে প্রতিবাদে নামেন। অভিযোগ, স্কুলের টিআইসি বনানী রায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নথি সংশোধন না হলে ভর্তি হবে না। পাশাপাশি কথা বলতে গেলে অভিভাবকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।

অন্য কোনও উপায় না পেয়ে অভিভাবকরা ডিআই অফিসে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। এই বিষয়ে জানানো হয়েছে, নথি সংশোধন জরুরি হলেও পড়ুয়াদের ভর্তি আটকানো উচিত নয়। ভর্তি নেওয়ার পর সংশোধনের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

এদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে স্কুলের টিআইসি বনানী রায় জানান, তিনি চান বাচ্চারা আগে নথি ঠিক করে তারপর ভর্তি হোক। পরে রেজিস্টার সংশোধন করা সম্ভব নয়। অভিভাবকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে। তিনি আরোও জানান, তিনি ধাক্কা দিয়ে থাকলে তার প্রমাণ দিক তাঁরা।

তবে দ্রুত সমাধানের দাবিতে অনড় অভিভাবকরা। তাঁদের আশঙ্কা, ভর্তি প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হলে পড়াশোনায় বড় ক্ষতির মুখে পড়বে ছাত্রী।


Share