ABVP Leader Allegedly Been Beaten Up By TMC

রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে আরএসএসের ছাত্র সংগঠন বিদ্যার্থী পরিষদের নেতাকে বেধড়ক মার. অভিযুক্ত পুরপ্রধানের কাউন্সিলর স্ত্রী

জখম ছাত্রনেতার নাম সম্বিত গোস্বামী। সম্বিত গোস্বামীর বাবা এলাকার পরিচিত বিজেপি নেতা কাজল গোস্বামী। তিনি আগে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সহ-সভাপতি ছিলেন। শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন। সম্বিতের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় সুনীলপদ গোস্বামী আরএসএসের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।

জখম সম্বিত গোস্বামী।
প্রশান্ত দাস, ইংরেজবাজার
  • শেষ আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৫ ০৭:০১

রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে আরএসএসের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের নেতাকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের মহিলা নেত্রীর বিরুদ্ধে। ইংরেজবাজার পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার জেরে জখম ওই ছাত্রনেতাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে সেখান থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জখম ছাত্রনেতার নাম সম্বিত গোস্বামী। 

যদিও মারধরের কথা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর কাকলি চৌধুরী। তিনি বলেন, "ওরা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের গেটের সামনে বসে নেশা করছিল। সঙ্গে কয়েক জন মেয়েও ছিল। ওরা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুর করেছে। এর পরেই এলাকার লোকেরা ওকে আটকে রাখে। আমি খবর পেয়ে সেখানে যাই। প্রশাসনের ওপর ভরসা আছে।” 

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নাম করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নিরাপত্তারক্ষীদের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও কাকলি অভিযোগ করেছেন। তিনি আরও বলেন, “এর আগেও ওদের ওখানে বসে নেশা করতে নিষেধ করা হয়েছে, কিন্তু তাঁরা কোনও শোনেনি।” গোটা বিষয়টিকে জনরোষ বলে চালাতে চাইছেন তিনি। উল্লেখ্য, কাকলি চৌধুরী ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর স্ত্রী। 

সম্বিত গোস্বামীর বাবা এলাকার পরিচিত বিজেপি নেতা কাজল গোস্বামী। তিনি আগে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সহ-সভাপতি ছিলেন। শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন। সম্বিতের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় সুনীলপদ গোস্বামী আরএসএসের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। এমন পরিবারের ছেলেকে এ ভাবে মারধর কেন করা হল তা নিয়ে এলাকায় প্রশ্ন উঠেছে। সম্বিতের পরিবারের অভিযোগ, রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। 

বিজেপি নেতা কাজলবাবুর দাবি, “এলাকায় বিজেপির সংগঠন বাড়ছে। তৃণমূলের অনেকেই যোগাযোগে রয়েছেন। সেই কারণেই হামলা করা হয়েছে।” সম্বিতের মা বিজেপির স্থানীয় বুথ সভাপতি। তিনি এ দিন বলেন, “আমাদেরকে না পেয়ে আমার ছেলেকে খুন করতে চেয়েছিল।” যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর কাকলি। 

এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী বলেন, “ওখানে একটা নেশার আসর বসছিল। তবে যে কথা বলা হচ্ছে মারধর হয়েছে এ ঘটনা আমার জানা নেই।”


Share