Malda Medical College

মালদহ মেডিকেলে ফের উদ্বেগ! ২৪ দিনেই ৫৫ শিশুর মৃত্যু, নেপথ্যে অপুষ্টি ও নাবালিকা অবস্থায় গর্ভধারণ

হাসপাতাল সূত্রে খবর, এক দিনে সর্বাধিক পাঁচ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুমৃত্যুর নেপথ্যে অপুষ্টি এবং নাবালিকা অবস্থায় গর্ভধারণকে অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মালদহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ
  • শেষ আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:২৯

ফের শিশুমৃত্যুর ঘটনা মালদহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। চলতি মাসের ২৪ তারিখ পর্যন্ত মালদহ মেডিকেল মৃত্যু হয়েছে ৫৫ জন শিশুর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এক দিনে সর্বাধিক পাঁচ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুমৃত্যুর নেপথ্যে অপুষ্টি এবং নাবালিকা অবস্থায় গর্ভধারণকে অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গত অগস্ট মাসেও মালদহ মেডিকেল কলেজে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগ তৈরি করেছিল। ২৭ অগস্ট পর্যন্ত হাসপাতালে ৮৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়। এরপরই শিশুমৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে গত ২৯ অগস্ট মালদহ মেডিকেলে যায় স্বাস্থ্য ভবনের প্রতিনিধি দল। তদন্তের পর ৫ সেপ্টেম্বর মালদহ মেডিকেল কলেজের সুপার এবং শিশু বিভাগের প্রধানকে দায়িত্ব থেকে সরানোর নির্দেশিকা জারি করে স্বাস্থ্য ভবন। মেডিকেল সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয় হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের প্রধান গণেশচন্দ্র গাইনকে।

শিশুমৃত্যুর হার কমাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে একাধিক নির্দেশিকাও দেওয়া হয়। এরপর কিছুটা হলেও শিশুমৃত্যুর গ্রাফ নিম্নমুখী হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে দাবি। তবে চলতি মাসেও ৫৫ জন শিশুর মৃত্যু নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মালদহ মেডিকেলের সুপার গণেশচন্দ্র গাইন জানিয়েছেন, চলতি মাসের ২৪ তারিখ পর্যন্ত ৫৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩৫ জনের মৃত্যুর পিছনে অপুষ্টিকে অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নাবালিকা অবস্থায় গর্ভবতী হওয়ার ঘটনাতেও কম ওজনের শিশুর জন্মের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, অপুষ্টি ও কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুদের ক্ষেত্রে জটিলতা বেশি থাকায় তাঁদের চিকিৎসায় বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। শিশুমৃত্যু কমাতে নবজাতক ও শিশুদের চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি গর্ভবতী মহিলাদের পুষ্টি এবং সচেতনতার উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।


Share