Sajal Ghosh

সিটি কলেজের বিজেপি বিধায়কের অনুষ্ঠানে তৃণমূল কাউন্সিলর এবং বহিস্কৃত নেতা, দলবদলের জল্পনা

অনুষ্ঠানের শেষে তৃণমূল কাউন্সিলর অনিন্দ্যকিশোর রাউত বলেন, “এখান থেকে আমরা শুরু করেছি। দেবুর হাত ধরে আমরা রাজনীতিতে এসেছি। রাজনৈতিক ভাবে দু’জনের পথ আলাদা হতে পারে।” তবে বিজেপি যোগ দেওয়ার প্রশ্নে তিনি জানান, “সেটা সময় বলবে।”

বিজেপি বিধায়কের অনুষ্ঠানে তৃণমূল কাউন্সিলর।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২০ মে ২০২৬ ০৬:৪৯

পালাবদলের পরে সিটি কলেজে স্বমহিমায় ঢুকলেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর সঙ্গে দেখা গেল কলকাতা পুরসভার ৩ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল কাউন্সিলর অনিন্দ্যকিশোর রাউতকে। একই সঙ্গে তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা কোহিনুর মজুমদারকেও দেখা গেল।

রাজ‍্যে বিপুল আসন নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। তার পর থেকে একাধিক তৃণমূল নেতা দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। অরাজনৈতি বলে দাবি করা হলেও কলেজের এই অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। সেই অনুষ্ঠানেই দেখা গেল অনিন্দ্য এবং কোহিনুরকে। ঘটনাচক্রে অনিন্দ্য এবং কোহিনুর দু’জনেই সিটি কলেজের ছাত্র। কেন অনিন্দ্য এমন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিজেপি বিধায়কের অনুষ্ঠানে এসেছেন, তা নিয়ে কিছু বলতে চাননি তৃণমূল কাউন্সিলর অনিন্দ্যকিশোর রাউত। তাঁর দাবি, তিনি এই কলেজের ছাত্র। তাঁই তিনি প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে এসেছেন।

অনুষ্ঠানের শেষে তৃণমূল কাউন্সিলর অনিন্দ্যকিশোর রাউত বলেন, “এখান থেকে আমরা শুরু করেছি। দেবুর হাত ধরে আমরা রাজনীতিতে এসেছি। রাজনৈতিক ভাবে দু’জনের পথ আলাদা হতে পারে।” তবে বিজেপি যোগ দেওয়ার প্রশ্নে তিনি জানান, “সেটা সময় বলবে।”

বহিস্কৃত তৃণমূল নেতা কোহিনুর মজুমদার বলেন, “দেবুদা (সজল ঘোষ) আমাদের সবার প্রিয়। দেবুদার হাত ধরেই আমারা রাজনীতিতে প্রবেশ করেছি।” তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “আমাকে তৃণমূল তাড়িয়ে দিয়েছে। এই মুহূর্তে আমি তৃণমূলের প্রাক্তন কর্মী। বিজেপিতে যাব কি না তা নিয়ে এখনই কিছু বলা মুশকিল।”

তৃণমূলের ভরাডুবির পরে অনেকেই বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন করেছেন বলে দাবি করেছে। তবে বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছে, আপাতত কোনও তৃণমূল নেতাকে দলে নেওয়া হবে না। অনিন্দ্যকিশোর রাউত ব‍্যাঙ্কশাল আদালতের আইনজীবী। দলের ভরাডুবির পরে অনিন্দ্য বিজেপির ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও কেউ কেউ দাবি করছেন।


Share