Anti Corruption Branch

ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও ব‍্যাঁটরা পুলিশ আধিকারিক, পাঁশকুড়ায় রক্ত বিক্রি করতে গিয়ে গ্রেফতার সাহাবুদ্দিন, রাজ‍্য জুড়ে এসিবির অভিযান

অভিযোগ পেয়েই ফাঁদ পাতে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকেরা। দুটি ক্ষেত্রেই আধিকারিকেরা ছদ্মবেশে পৌঁছে যান। টাকার হস্তান্তর হয়। এর পরেই নিজেরদের পরিচয় দেন। কাঁচের বাটি করে জল আনা হয়। তাতে হাত ডোবাতেই জলের রং গোলাপি হয়ে ওঠে।

(বাঁ দিক থেকে) এসআই সুব্রত সরকার এবং সাহাবুদ্দিন মল্লিক।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৬ ০৫:২৩

থানায় বসে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে এক পুলিশ আধিকারিকে হাতেনাতে ধরল দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকেরা। অপর জনকে সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের রক্ত টাকা নিয়ে পাচার করার অভিযোগ উঠেছে। তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে রাজ‍্য জুড়ে দুর্নীতি দমন শাখার অভিযানে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ধৃত থানার আধিকারিকের নাম সুব্রত সরকার। তিনি হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের ব‍্যাঁটরা থানায় সাব-ইন্সপেক্টর পদে রয়েছেন। অভিযোগ, তিনি থানায় বসে নগদ টাকা ঘুষ হিসেবে নিয়েছেন। কার কাছ থেকে তিনি এই টাকা নিয়েছেন বা তার কী পরিচয় তা নিয়ে পুলিশ কিছু স্পষ্ট করেনি।

অন‍্য দিকে, পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে আরেক জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম, সাহাবুদ্দিন মল্লিক।q তাঁর বিরুদ্ধে, সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত নিয়ে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর কাছ থেকেও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্লাড ব্যাঙ্কের কর্মীদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অভিযোগ পেয়েই ফাঁদ পাতে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকেরা। দুটি ক্ষেত্রেই আধিকারিকেরা ছদ্মবেশে পৌঁছে যান। টাকার হস্তান্তর হয়। এর পরেই নিজেরদের পরিচয় দেন। কাঁচের বাটি করে জল আনা হয়। তাতে হাত ডোবাতেই জলের রং গোলাপি হয়ে ওঠে। তিনি যে ঘুষ নিয়েছেন এবং তিনি আগেও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন তা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

উল্লেখ্য, জামবনি ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের কার্যালয়ে অভিযান হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওই দফতরে সাব অ‍্যাসিস্টান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে কর্মরত ছিলেন বিমল সাহা। অভিযোগ, তিনি প্রভাব খাটিয়ে টেন্ডার পাইয়ে দিতেন। বদলে মোটা টাকা নিতেন। পাশাপাশি যে কাজ হয়েছে তাতে সঠিক গুনগত মান বজায় রয়েছে কি না তার ছাড়পত্র দিতেন। বদলে ঠিকাদারদের কাছ নিতেন ঘুষ। সেই মর্মেই দুর্নীতি দমন শাখার হেল্পলাইন নম্বরে এক ঠিকাদার অভিযোগ জানান।


Share